০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

মহিউদ্দিন চৌধুরী জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন চট্টগ্রামের কণ্ঠস্বর। তিনি চট্টগ্রামের স্বার্থে কখনই কোন ধরনের আপোস করেননি। তিনি ছিলেন গণমাধ্যম তথা সাংবাদিকবান্ধব একজন রাজনৈতিক নেতা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আজীবন অবিচল থেকে তিনি জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘সাংবাদিকবান্ধব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী স্মারকগ্রন্থ’র প্রকাশনা উৎসবে কথাগুলো বলেন আলোচকগণ। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রকাশিত এ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব বঙ্গবন্ধু হলে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রধান আলোচক ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী ড. অনুপম সেন। চট্টলবীরখ্যাত এই নেতার জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহিউদ্দিনপুত্র ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। প্রেসক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী এবং মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন, যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দিন শ্যামল এবং স্মারকগ্রন্থ সম্পাদনা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা মোয়াজ্জেমুল হক।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে মহীবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, আমার বাবা ত্যাগ তিতীক্ষার মধ্য দিয়ে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। তার এই জীবনকে মূল্যায়ন করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুকন্যা সবসময় সৎ-সাহসী রাজনীতিবিদদের মূল্যায়ন করেছেন। কলম সৈনিকদের প্রতি বাবার অপার ভালবাসা ছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন. সাংবাদিকরা মুক্ত-স্বাধীন থেকে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারলে সমাজ-রাষ্ট্রের ভাল হবে। মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন বলেন, তার সঙ্গে রাজনৈতিক স্মৃতি রয়েছে- শুধু আমার নয়, চট্টগ্রামবাসীকে ঘিরে।

তিনি ছিলেন মাথানত না করা একজন রাজনীতিবিদ। সাংবাদিকদের সঙ্গে তার একটা অন্য ধরনের সম্পর্ক ছিল। অনুষ্ঠানে স্মারকগ্রন্থ সম্পাদনা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোয়াজ্জেমুল হক বলেন, প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোকসভায় এই স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের প্রস্তাব করেছিলাম।