১৭ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রশিক্ষণ কাজে মেধাবীদের নিয়োগ দেয়া উচিত ॥ প্রধানমন্ত্রী

প্রশিক্ষণ কাজে মেধাবীদের নিয়োগ দেয়া উচিত ॥ প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে এ ধরনের দায়িত্বে মেধাবীদের নিয়োগ দেয়ার আহবান জানিয়ে বলেছেন, অনেকে ঘাত-প্রতিঘাত ও বাধা অতিক্রম করে বাংলাদেশকে সফলতার এই পথে এগিয়ে নিতে পেরেছি। এই সফলতার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। সবার কাছে সেই দাবি করে যাচ্ছি। যদি এতটুকু ভাল কাজ কারো জন্য করে থাকি তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়নের এ গতিধারাটা যেন অব্যাহত থাকে। দেশের মানুষ যেন ভাল থাকে, সুন্দর থাকে। আমি এমন জায়গায় দেশকে রেখে যাচ্ছি যেন বাংলাদেশকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে না হয়। সামনের দিকে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, সে অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে।

বৃহস্পতিবার শাহবাগে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ১০৭, ১০৮ ও ১০৯তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চেষ্টা করলে যে পারা যায়, সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তারা শুধু নিজের ভাগ্য গড়ার কথা চিন্তা করে, মানুষের ভাগ্য গড়ার কথা চিন্তা করে না। আমাদের চিন্তাটাই হলো, দেশের মানুষের ভাগ্য কিভাবে গড়ব। সেইভাবেই আমরা পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছি। প্রধানমন্ত্রী সমাজকে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করে গড়ে তুলতে প্রশাসন ক্যাডারের নবীন কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহবানও জানান।

জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রচলিত একটি ধারণা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, আমি দেখেছি একটা ধারণা আমাদের, এ ধরনের কোন প্রতিষ্ঠানে কাউকে পদায়ন করলে মনে করা হয় তাকে ডাম্পিং প্লেসে ফেলা হলো। ঠিক আমি জানি না এই মানসিকতা কেন। যে কারণে আমি যতদূর পারি যখনই যে প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে আমাকে দাওয়াত দেয়া হয়, আমি সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হই, আমি যাই। কেন যাই? কারণ তার গুরুত্বটা যে বেশি। কারণ আমি মনে করি রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা দায়িত্ব নিতে যাবে তাদের প্রশিক্ষণটা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটায় কাউকে পদায়ন করলে সে মনে করবে তাকে ডাম্পিং প্লেসে ফেলা হল, এটা যেন কোন মতে না ঘটে বরং সব থেকে যে মেধাবী থাকবে, যার মাঝে উদ্ভাবনী শক্তি আছে, যে নতুন নতুন চিন্তাভাবনা জাগ্রত করতে পারবে এবং প্রশিক্ষণ দিতে পারবে তাকেই এই পদে নিয়োগ দেয়া উচিত বলে আমি মনে করি। যাতে আমার আগামী দিনের কারিগররা উপযুক্ত হয়ে উঠে।

বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ খাদ্য উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় স্থান অধিকার করার দিকটি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চেষ্টা করলে যে পারা যায় সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। অতীতে হয়নি কেন? এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কোন সরকার যদি শুধু নিজের ব্যবসা করতে চায় ক্ষমতাকে হাতে নিয়ে, তাহলে আর দেশের উন্নয়ন হয় না। কারো মনে যদি এ চিন্তা থাকে উৎপাদন করব কেন? বিদেশ থেকে আমদানি করব, সেখান থেকে কিছু পয়সা পাব, সেখান থেকে কিছু কমিশন নেব বা ব্যবসা করে লাভ করব? তাহলে তারা উৎপাদন বাড়াতে চেষ্টা করবে না, করেও না, অতীতেও করেনি। তিনি বলেন, আর আমাদের সফলতা এ কারণে। আমরা সেইভাবে চিন্তা করিনি বরং চিন্তা করেছি আমাদের দেশে উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমরা সেইভাবেই উৎপাদন বৃদ্ধি করব যেন দেশের মানুষের কোন খাদ্যের কষ্ট না হয়, তাদের বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার কষ্ট না হয়। সেভাবে চিন্তা করে প্রতিটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি বলেই এই অর্জনগুলো এত অল্প সময়ের মধ্যে করতে পেরেছি।

সারাবিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার দিকটি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু আমাদের দেশের কিছু কিছু লোক আছে, যারা অনেকেই বাংলাদেশকে সব সময় মনে হয় একটু খাটো করে দেখাতে পারলে, ছোট করে দেখাতে পারলেই যেন তাদের একটা আত্মতৃপ্তি হয়! কেন হয় জানি না! একেবারে জানি না তাও বলব না। কিছু লোক তো আছেই এই দরিদ্র মানুষগুলোর হাড্ডিসার কঙ্কালসার অবস্থাটা দেখিয়ে দেখিয়ে তারা কিছু ব্যবসা করে। বিদেশ থেকে তারা কিছু পয়সা আনে এবং সে পয়সা দিয়ে মানুষকে কতটুকু উপকার করে জানি না। কিন্তু নিজেদের উপকার হয়। আমরা সেই গোত্রের নই। আমাদের লক্ষ্য যে, আমার দেশের মানুষকে কেউ ছোট চোখে দেখবে, খাটো করে দেখবে- এটা আমি কখনও বরদাশত করতে পারি না। আমার কাছে কখনও গ্রহণযোগ্য না।

সরকার প্রধান আরও বলেন, বাংলাদেশ যে উন্নত হতে পারে, সম্মানজনক অবস্থানে যেতে পারে, বাংলাদেশ যে স্বাধীন একটি দেশ হিসেবে মর্যাদা অর্জন করতে পারে, সেটাই হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি বলেই আজকে বাংলাদেশ বিশ্বে সম্মান অর্জন করতে পেরেছে উন্নয়নের একটা রোল মডেল হিসেবে। তিনি বলেন, এখানে ম্যাজিক কিছুই না। দেশপ্রেম ও জনগণের প্রতি ভালবাসা। জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ, আর দেশকে ভালবেসে দেশকে একটা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করবার আকাক্সক্ষা, সেই আকাক্সক্ষাটা পূরণ করতে যেয়েই আজকে এই অর্জনটা করতে পেরেছি, সম্মানটা আনতে পেরেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, এই সম্মানটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি, অনেকে আবার প্রশ্ন করবেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হলে পরে আমরা এলডিসি কান্ট্রি হিসেবে যেসব সুযোগ পেতাম সেই সুযোগগুলো পাব না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা এলডিসি দেশ হিসেবে যে সুযোগ পেতাম, সেসব সুযোগের প্রয়োজনেই হবে না যখন আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের কর্মকাÐ পরিচালনা করব। ওইটুকু করুণা পাবার জন্য কি নিজেদের ছোট করে রাখব? কখনই তা রাখব। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমরা এগিয়ে যাব। আমরা মর্যাদা নিয়ে চলব। কারণ আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি। আর বিজয়ী জাতি হিসেবেই আমরা মাথা উঁচু করে বিশ্বে চলব। ইনশা আল্লাহ অন্তত এইটুকু দাবি করতে পারি, বর্তমান সময়ে সারাবিশ্ব বাংলাদেশকে একটা মর্যাদার চোখে দেখে। এটা সব দিক থেকেই।

এ সময় নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে একটা অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই চ্যালেঞ্জ আমি গ্রহণ করেছিলাম। আর আজকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ করছি। পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান। ওই একটা সিদ্ধান্তই বাংলাদেশের ভাবমূর্তির পরিবর্তন ঘটিয়েছে। আর যে দুর্নীতির অপবাদ দিয়েছিল সেটা প্রমাণ করতে পারেনি। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমি সবসময় বিশ্বাস করি সততার সঙ্গে যদি কাজ করা যায় তাহলে একটা জোর থাকে তাকে মনে। যে কোন অবস্থা মোকাবেলা করার জন্য একটা শক্তি থাকে। আর সেই শক্তিটা অর্জন করতে হয় লোভ-লালসার উর্ধে উঠে। দেশের মানুষের জন্য যে দায়িত্ববোধ কর্তব্যবোধ, সেই কর্তব্যবোধ নিয়ে কাজ করলে সেটা অর্জন করা যায়। তাহলেই দেশের মুখও উজ্জ্বল হয়।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, সব সময় একটা মনে রাখবেন, সততাই শক্তি। আর দেশের মানুষের প্রতি কর্তব্যবোধ, দেশের মানুষের প্রতি একটা দায়িত্ববোধ নিয়েই কাজ করতে হবে। আর দেশটাকে সবসময় এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন বাংলাদেশ একটা মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে। যে অর্জনটা করেছি সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমি এমনভাবে পরিকল্পনা রেখে যাচ্ছি, যেন এই দেশকে যেন আর কখনও পিছনে ফিরে তাকাতে না হয়। সামনের দিকে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে সেই অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে।

তিনি বলেন, আমরা এখন ফোরজি পৌঁছে গেছি। স্যাটেলাইট এসে গেছে। হয়ত আগামীতে আমরা সারাদেশে ফোরজি চালু করে দিতে পারব। এখন বেশকিছু জায়গায় আমরা করতে পেরেছি। সেই সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি ফাইভ-জি যেতে। অর্থাৎ প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা সবসময় অগ্রগামী থাকতে চাই। যা আমাদের মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সমৃদ্ধশালী করবে, উন্নত করবে, সহজ করে দেবে। তিনি বলেন, আমাদের দারিদ্র্যের হার ২১ ভাগে নামিয়েছি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যে, ২০২১ সালের মধ্যে এটাকে আরও ৪/৫ ভাগ অন্তত আমরা কমাব। যদি ৪/৫ভাগ কমাতে পারি, তাহলে অন্তত বলতে পারব বাংলাদেশ এখন দারিদ্র্যমুক্ত।

সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ-মাদকের হাত থেকে সমাজকে মুক্ত রাখার জন্য আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশটাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাবেন। যেন বাংলাদেশ এগিয়ে যায়, উন্নত হয়। কারণ আমাদের উন্নয়নের পরিকল্পনাই হচ্ছে একেবারে মাঠ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত দেশকে উন্নত করতে চাই। আর সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ-মাদক থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। যে যেখানেই দায়িত্ব পালন করবেন এ বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন। যা একটা সমাজকে ধ্বংস করে দেয়, একটা পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়, সেটা যেন কোনোমতে না হয়। আমরা এতটুকু বলতে পারি আমরা দক্ষতার সঙ্গে এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশ সন্ত্রাসমুক্ত, মাদক মুক্ত হবে পাশাপাশি দুর্নীতিমুক্ত হবে।

গণমাধ্যম নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় অনেক পত্রিকা এটা-ওটা লেখে আর আমাদের অনেকে সেটা নিয়ে ঘাবড়ে যায়। আমি অন্তত এইটুকু বলতে পারি, রাষ্ট্র পরিচালনায় আমি পত্রিকার লেখা পড়ে গাইডলাইন গ্রহণ করি না। আমি গ্রহণ করি আমাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা, পরিকল্পনা এবং জ্ঞান। তার কারণ দেশটা আমাদের। আমি জানি দেশটার জন্য কোনটা মঙ্গল। যেহেতু দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছি অবশ্যই জানব কোথায় কি সমস্যা আছে, কোথায় নাই। সেটা বুঝেই কাজ করি। তাহলেই দেশটাকে এগিয়ে নেয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, কে কি বলল সেটা শুনে অমনি রিএ্যাক্ট করা, এই চিন্তায় আমি বিশ্বাস করি না। ওখান (গণমাধ্যম) থেকে তথ্য নিতে পারি, খবর নিতে পারি ওইটুকুই। কিন্তু ওটা দেখে সঙ্গে সঙ্গে কিছু করতে হবে আমি সেটা বিশ্বাস করি না। কোন পদক্ষেপ নিতে গেলে নিজস্ব বিবেচনায় নিতে হবে, নিজের চিন্তায় নিতে হবে, নিজের দায়িত্ববোধ, কর্তব্যবোধ থেকে নিতে হবে। সেভাবে নেয়া গেলে সেভাবে সফলতা অর্জন করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ। ইতোমধ্যেই ক্ষুধামুক্ত আমরা করেছি, ইনশাল্লাহ ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যমুক্ত করতে সক্ষম হবো। কিন্তু সেটাকে আমাদের স্থায়ী করতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে আরও সামনে। আমরা যেন উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলে জাতির পিতা শেখ মুজিবের স্বপ্ন পূরণ করতে পারি। সেইভাবেই দেশকে গড়ে তুলতে হবে। কারণ অনেক রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীনতা। এ স্বাধীনতা কখনও ব্যর্থ হতে পারে না। অনেকে ঘাত প্রতিঘাত, অনেক বাধা অতিক্রম করেই আমরা বাংলাদেশকে সফলতার পথে এগিয়ে নিতে পারছি। এই সফলতার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। আমি সবার কাছে সেই দাবিটাও করে যাচ্ছি, যদি এতটুকু ভাল কাজ কারো জন্য করে থাকি, তাহলে অন্তত এইটুকু চাই, বাংলাদেশের উন্নয়নের এ গতিধারাটা যেন অব্যাহত থাকে। দেশের মানুষ যেন ভাল থাকে, সুন্দর থাকে।

সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। ১০৭, ১০৮ ও ১০৯তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের রেক্টর পদক বিজয়ী শ ম আজহারুল ইসলাম সনেট, শরিফ আসিম রহমান এবং মো. মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে নিজস্ব অনুভ‚তি ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী কোর্স সম্পন্নকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ ছাড়াও তাঁদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং তিনটি ব্যাচের স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রী পরে সিভিল প্রশাসনের নবীন কর্মকর্তাদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং বিসিএস প্রশিক্ষণ একাডেমির নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিত সংবাদ