১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

৭ ডিসেম্বর ॥ গোপালগঞ্জ মুক্ত দিবস

৭ ডিসেম্বর ॥ গোপালগঞ্জ মুক্ত দিবস

নিজস্ব সংবাদদাতা, গোপালগঞ্জ ॥ আজ ৭ ডিসেম্বর, গোপালগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে গোপালগঞ্জ পাক-হানাদার মুক্ত হয়। ৫ ডিসেম্বর যখন পাক-সেনারা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ-সংলগ্ন জয় বাংলা পুকুর-পাড়ের মিনি-ক্যান্টমেন্ট ছেড়ে পালায় এবং মেজর সেলিমের অধীনে তাদের একটি দল ঢাকায় ও আরেকটি দল ভাটিয়াপাড়ার ওয়ারলেস্-ক্যাম্পে চলে যায়, ঠিক তখন গোপালগঞ্জ শহরের মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে পায় সেই আনন্দঘন এক মুহূর্ত। তার তাই, ৭ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের এলাকা থেকে দলে দলে মুক্তিযোদ্ধারা প্রবেশ করে গোপালগঞ্জ শহরে। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তাই দিনটি পরম পাওয়ার দিন। মুক্তিকামী সকল জনতার মনে সেদিন বয়ে যায় আনন্দের হিল্লোল। শহরবাসী মেতে উঠেছিল অসীম উৎসব-আদন্দে। শত দুঃখ-কষ্ট ও আত্মত্যাগের পর সবাই ফিরে পায় বিজয়ের আনন্দ।

গোপালগঞ্জ মুক্ত দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকাল ১০ টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান শেষে শহরে মুক্তিযোদ্ধাদের এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। এরপর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠান। জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শেখ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছানোয়ার হোসেন। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অবঃ) রেজাউল হক, বীর প্রতীক, অধ্যক্ষ আবু হোসেন, সিকদার নূর মোহাম্মদ দুলু, সাবেক জেলা কমান্ডার বদরুদ্দোজা বদর, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নাসিমা আক্তার রুবেল প্রমূখ সেখানে বক্তব্য রাখেন। পরে প্রধান অতিথি মুক্তিযোদ্ধার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।