১৮ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকার দিনরাত

  • মারুফ রায়হান

সুখবর দিয়ে শুরু করা যাক। সুখবর বলতে দুঃসংবাদের হোতাদের প্রতিরোধ করার কথা বলছি। সেই অর্থে এটিকে অর্ধ-সুসংবাদ বললেও বলতে পারেন পাঠক। যাহোক, শিক্ষালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের দিক দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড হয়ে গেছে বোধকরি বাংলাদেশের। তবে এটি প্রতিরোধেও যে কর্তৃপক্ষ মাঝেমধ্যে আশা জাগার মতো সফলতা দেখাচ্ছেন, সেটিও বলা চাই। গত সপ্তাহে রাজধানীতে প্রশ্নফাঁস চক্রের ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ জন্য সাধুবাদ পাবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সিরিয়াস ক্রাইম ইউনিট। গ্রেফতার ব্যক্তিরা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে প্রশ্নের সমাধান দিতে কাজ করতেন। তাদের কাছ থেকে ছোট ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গত সপ্তাহে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিদর্শক (এসআই) পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সমাধানচক্রে জড়িত ছিলেন গ্রেফতার হওয়া লোকেরা।

এবার ভিন্ন প্রসঙ্গ। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রবিবারে তেমন যানজট নেই! এমন অভিজ্ঞতা শেষ কবে হয়েছে মনে করতে পারছি না। পরশু রবিবার অফিস টাইমে উত্তরা থেকে জনকণ্ঠ ভবন পর্যন্ত এলাম প্রায় যানজটের ধকল ছাড়াই। অথচ আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পথে অসহনীয় যানজটের কবলে পড়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবে ধারণা ছিল বহু মানুষের দ্বিতীয় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢাকায় যানবাহনের চাপ একটু কম থাকবে। আমাদের মহানগরীর ট্রাফিক পরিস্থিতি পুরোপুরি আনপ্রেডিক্টেবল হয়ে উঠল নাকি!

নরম শীতে গরম পিঠা

ডিসেম্বরে ঢাকায় যেমন শীত পড়ার কথা তেমনটি কি পড়েছে? নাকি আমারই এবার তেমন শীত লাগছে না। কি জানি। তবে শীতের পিঠা খাওয়ার ধুম যে শুরু হয়ে গেছে ডিসেম্বর না আসতেই, সে কথা বলাই বাহুল্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় একটু সড়ক পরিভ্রমণে, মানে একটু হাঁটাহাঁটি করতে বেরিয়েছিলাম। মাঝে মধ্যে নির্দিষ্ট অভিপ্রায় ছাড়া সড়কে হাঁটাহাঁটি করার ভেতর এক ধরনের ভাললাগা কাজ করলেও করতে করে। কিন্তু আগে দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে এমন কিছু বিচিত্র দৃশ্য চোখে পড়ার বেশ সম্ভাবনা থাকে। অবশ্য সড়কে চলাচল এখনও নির্বিঘœ ও অবিপন্ন করে তুলতে পারিনি আমরা খোদ রাজধানীতেও। সে যানবাহনের জন্য তৈরি বড় সড়কই হোক, কী হোক ফুটপাথ কিংবা আবাসিক এলাকার গলিপথ। গর্ত, খানাখন্দে ভরা সব ধরনের রাস্তা। (গত ডিসেম্বরেই লুকানো গর্তে পা হড়কে প্লাস্টারবন্দী রাখতে হয়েছিল পা-কে) উত্তরার একাধিক সেক্টরের ফুটপাথ কিংবা পেভমেন্ট তো রীতিমতো ঢেউ খেলানো। বয়স্কদের জন্য হাঁটার সম্পূর্ণ অনুপযোগী। সে যাক, নোংরা আবর্জনা আর গুয়ের গন্ধ (একই সঙ্গে প্র¯্রাবেরও) সৌখিন হাঁটা-চলা করা মানুষের জন্য ভারি বিরক্তির কারণ হয়ে ওঠে। ধান ভানতে গিয়ে শিবের গীত গাওয়ার ব্যাপারে আমি অসচেতন নই। তবু কথার পিঠে কথা এসে যায়। পিঠের কথাতেই ফিরি। রীতিমতো পিঠার মেলাই বসে গেছে রাস্তা ও গলিপথজুড়ে। তবে বেশিরভাগ ভাসমান পিঠা বিক্রেতা (বা পিঠে প্রস্তুতকারীরা) কেবল ভাঁপা পিঠাই বিক্রি করছেন। কাসুন্দি বা শুঁটকি দিয়ে যারা চিতই পিঠা খেতে চান, তাদের একটু খুঁজে পেতে নিতে হবে। একই সঙ্গে ভাঁপা আর চিতই পিঠা তৈরি করতে গেলে জায়গা তো একটু বেশি লাগবেই। তেমন পরিসর সর্বত্র মেলে না। তাই চিতই পিঠাপ্রেমীদের কাক্সিক্ষত পিঠে পেতে হলে একটু চোখ খোলা রাখা চাই। আমি যে কয়টি দোকানি পেলাম চিতই পিঠার, সবখানেই অপেক্ষা করে আছেন ক্রেতা। উনুন থেকে পিঠা নামানোর আগেই বুকিং হয়ে যাচ্ছে। তাই গরম গরম পিঠা খেতে হলে একটু ধৈর্য তো ধরা লাগবেই। চিতই পিঠার দাম এখন পর্যন্ত ৫ টাকাই। আর ভাপা পিঠা ১০ টাকা। আস্ত ডিম সহযোগে প্রস্তুত চিতই পিঠার দাম ২০ টাকা।

শীতে ঢাকায় যেসব পথবিক্রেতা রকমারি পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেন তারা সব মৌসুমী পেশাজীবী। মহানগরীতে এসে রিক্সা চালানো কিংবা কায়িক শ্রম দান যাদের জীবিকা তাদের বড় অংশ শীতে রাস্তার ধারে, ফুটপাথে কিংবা পেভমেন্টে অস্থায়ী পিঠা তৈরির হেঁশেল ও বিক্রির দোকান সাজিয়ে বসেন। এতে যেমন হাজার হাজার শ্রমজীবীর কর্মসংস্থান হয়, তেমনি রসনাও তৃপ্ত হয়ে লাখ লাখ মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও বিত্তহীন শ্রেণীর মানুষের। তবে এটাও সত্য যে এখন গাড়িওয়ালারাও চলতি পথে গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভারের মাধ্যমে এসব শীতের পিঠা সংগ্রহ করে নেন। সব মিলিয়ে অর্থনীতিতে সামান্য হলেও এসব পথের পিঠা-সংস্কৃতি অবদান রেখে চলেছে। সেই সঙ্গে বহু বয়স্কজন নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হওয়ারও অবকাশ পেয়ে যান। এককালে তাদের শৈশব কেটেছে এই নিষ্ঠুর নগরী থেকে বহু দূরে মফস্বলের শহরে, কিংবা প্রত্যন্ত গ্রামে। সেই সময়ে জিভে লেগে থাকা পিঠার স্বাদ একটু স্মরণ করা আরকি। এখনকার ছেলেমেয়েদের আর তেমন সুযোগ কোথায় গ্রামের বাড়ি যাওয়ার, পিঠা খাওয়ার। শহরের মানুষ প্রায় বাছ-বিচারহীনভাবেই পথে তৈরি এই পিঠা খান। গলাধঃকরণ বললেও বেশি বলা হবে না।

রাস্তার পাশে ভাসমান দোকানের গরম গরম পিঠা খেতে ভাল লাগলেও আয়েশ করে বসে পিঠা খেতে চান অনেকেই। তাদের জন্য রয়েছে : বেইলি রোডে বেইলি পিঠাঘর, উত্তরায় জসীমউদ্দীন মোড়ে, হরেক রকম দেশীয় পিঠা নিয়ে উত্তরা পিঠাঘর এবং মিরপুর ১১তে কাঁচা বাজারের কাছে ২২ পদের ভর্তা দিয়ে পিঠা খাওয়ার এক বিশাল সমারোহ হয় শীতে। সন্ধ্যার পর রাস্তার পাশে এই ছোট্ট দোকানটি জমে ওঠে পিঠাপ্রেমীদের ভিড়ে। শুঁটকি ভর্তা, সরষে ভর্তা, বেগুন ভর্তা, চিংড়ি ভর্তা, ধনে পাতা ভর্তা, মরিচ ভর্তাসহ অনেক মজাদার ভর্তা দেয়া হয় চিতই পিঠার সঙ্গে।

কনকনে ঠা-া হাওয়া কি মানুষের পিঠের ক্ষিদেকে উস্কে দেয়? তা দিতেও পারে। ছেলেবেলায় কিছুকাল খুলনার গ্রামে ছিলাম, তখন ভাবতাম শীতে খেজুরের রস মেলে তাই রসের পিঠার ধুম পড়ে। শহুরে বহু বালক আমার মতোই ভাববে- বছর ভরেই পিঠা খাওয়া চলে, তবে শীতে তা খেতে ভারি মজা। অথচ পিঠাপুলির মৌসুমই হলো নবান্নের পরে শীতের আগমনীতে, সে কথা রাজধানীর হালের নবাবপুত্ররা বুঝবে কী করে?

আলোচনায় ঢাকার সুখ্যাত বিদ্যাপীঠ

এসএসসি বা এইচএসসির ফল প্রকাশের পর সংবাদপত্রের প্রথম পাতার প্রায় অবধারিত ছবি হলো ভিকারুননিসায় পড়া একদল শিক্ষার্থীর সাফল্যের সুখে হাস্যোজ্জ্বল মুখ। আমার মেয়েও এখান থেকেই (ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ) ওই দুটো পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছে। অভিভাবক হিসেবে আমাকেও দুয়েকবার ‘তলব’ করা হয়েছে সেখানে। অবশ্য আমার তখন মনেই হয়নি যে আমাকে ‘তলব’ করা হয়েছে। আজকাল শব্দটার প্রয়োগ দেখি নির্বিচারে। দুদকে তলব আর কন্যার স্কুলে শিক্ষিকার কথা শুনতে যাওয়া নিশ্চয়ই সমার্থক নয়। সে যাই হোক, আমি শ্রেণী শিক্ষিকার সঙ্গে দেখা করে বিন্দুমাত্র অসম্মানিত বোধ করিনি। বরং ছাত্রীর প্রতি শিক্ষিকার মমত্ববোধের পরিচয়ই পেয়েছি। অবশ্য সে সব এক দশক আগের কথা। তাই বলে এই এক দশকেই কি শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ এতটাই বদলে গেল যে কোন একটা অজুহাত তুলে একজন শিক্ষার্থীকে বিদায় করতে পারলে সেই শূন্য আসনে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থোপার্জনের অভিপ্রায় ওপেন সিক্রেট হয়ে উঠল! পরীক্ষার হলে নবম শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থীর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তার জের ধরে সেই মেয়েটি আত্মহননের পথ বেছে নিল! ওই মর্মান্তিক ঘটনার পরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং অপর দুজন শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে; তারা চাকুরিচ্যুত হয়েছেন এবং শ্রেণিশিক্ষিকাকে জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে। শিক্ষার্থীরা একবার দায়ী শিক্ষিকাদের বিচার দাবী করেছে। আবার পরে অন্তরীণ শিক্ষিকার মুক্তির দাবীতে অনশন করেছে। সব মিলিয়ে তুমুল আলোচনা চলেছে সপ্তাহভর যাকে বলা যেতে পারে টক অব দ্য টাউন। অরিত্রীর মৃত্যু সংবাদ পড়তে পড়তে আমারই মতো নিশ্চয়ই অনেকেরই মনে নিজেদের মেয়ের মুখখানি ভেসে উঠেছে? রাজধানীর একটি স্কুলেই যদি শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয় তাহলে ঢাকার বাইরের চিত্র আরও ভয়াবহ হওয়ার কথা। শিক্ষার্থীদের কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে থাকার ব্যাপারে নিশ্চয়ই অভিভাবকরা আপত্তি করবেন না। কিন্তু শাসন করা আর কটুবাক্য শুনিয়ে মানসিক নির্যাতন করা কখনই এক হতে পারে না।

অরিত্রীর চলে যাওয়ার পর তার স্কুলের একজন শিক্ষিকা ফেসবুকে হৃদয়স্পর্শী কিছু কথা লিখেছেন। সেই পোস্টটি তুলে দিচ্ছি। শিক্ষিকা সঙ্গীতা ইমাম লিখেছেন : ‘একজন শিক্ষক হিসাবে কত কথা বুকের মধ্যে গুমড়ে কাঁদছে বলতে পারছি না। নিরীহ সহকর্মীর জন্য অশ্রুপাত ছাড়া করতেও পারছি না কিছু। শুধু আমাদের অর্জন এটুকুই যে, আমাদের সন্তানসম শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের আজও সম্মান করে। বাইরের মানুষ কি বলল কিচ্ছু যায় আসে না। ওরা ক্লাসে ফিরে এসেছে আমাদেরই সম্মান করে। আমাদের সন্তানদের চোখের জল যখন আমাদের বুক ভিজিয়েছে সেটাই আমাদের পরম প্রাপ্তি। সব শিক্ষার্থী আজ পরীক্ষা দিচ্ছে। আর পরীক্ষা শেষে তারা গ্রেফতারকৃত শিক্ষকের মুক্তির জন্য স্কুল গেটে দাঁড়াবে। অরিত্রীকে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পাই আমি। হৃদয় দুমড়ে যায় এ সন্তান বিয়োগে। মা রে তোর অপরাধী আমরা। আমরা তোকে বলিষ্ঠ হতে শেখাতে পারিনি। পারিনি তোর যোগ্য শিক্ষক হয়ে উঠতে। বুঝতে পারিনি তোর ছোট্ট মনকে।’

অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনার মধ্য দিয়ে শিক্ষক-অভিভাবক সব পক্ষেরই নিজেদের দিকে ফিরে তাকানোর তাগিদটি সামনে উঠে এসেছে। উভয় পক্ষেরই দায় আছে অল্প বয়সী, সংবেদী ও অভিমানী মন বিপদগ্রস্ত ও আঘাতপ্রাপ্ত না হয় সেটি গভীরভাবে অনুধাবনের ও চর্চার। আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার নেবেÑ এ কথা যেন আমরা স্মরণে রাখি।

বৈঠকী গান ও কবিতার আসর

সমমনাদের নিয়ে গড়ে তোলা ছোট্ট একটি সংগঠন আকাশ প্রদীপ। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আয়োজনে যাঁরা পরিবেশন করলেন গান ও কবিতা তাঁদের সবাই পেশাজীবীÑ কেউ চিকিৎসক, কেউ প্রকৌশলী, কেউবা শিক্ষক কিংবা সাংবাদিক। কিন্তু সকলেই সুদূরের পিয়াসী, শিল্পমনা, সুন্দরের পূজারী। রাজধানীতে বড় বড় আয়োজনের পাশে এমন কতই না ছোটখাটো আয়োজন হয়, যাতে প্রাণের পরশের সামান্যতম ঘাটতি থাকে না। এর সাংস্কৃতিক-সামাজিক গুরুত্বও বিরাট। বাঙালী এভাবেই তার শেকড়ের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, নিজ সাহিত্য-সঙ্গীতের গুণীজনদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। আকাশ প্রদীপের এ আয়োজনটি হয়েছিল প্রখ্যাত গীতিকার গোলাম মোরশেদের বাড়িতে। গোটা পঞ্চাশেক সুধীজনের এ সমাবেশে কেউ কেউ তাঁর কাছের বন্ধুটিকে নিয়ে এসেছিলেন। বৈঠকী গান ও কবিতার আসর শীর্ষক এ আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিলেন কলকাতা থেকে আগত দুই গুণী শিল্পী সৌমিত রায় ও রুমা চক্রবর্তী। উভয়ে রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি অন্য গানও করেন। নিপো ও রুশনালের কণ্ঠে ব্যতিক্রমী আধুনিক গান শ্রোতারা উপভোগ করেছেন। এ আয়োজনে ধানমন্ডি থেকে ইস্কাটন, মোহাম্মদপুর থেকে মিরপুর, গুলশান থেকে উত্তরাÑ বিভিন্ন এলাকার সংস্কৃতিবান মানুষ এসেছিলেন। আয়োজক গোলাম মোরশেদ, ফারুক মাহমুদ, শাহরিয়া সুলতানা পিউ, আয়নান আরজু, জাহিদুল হাসান, মালিহা পারভীন প্রমুখের ধন্যবাদ প্রাপ্য।

৯ ডিসেম্বর ২০১৮

marufraihan71@gmail.com