২১ জানুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ধানের শীষের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে জবাব দেবে মানুষ ॥ তোফায়েল

ধানের শীষের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে জবাব দেবে মানুষ ॥ তোফায়েল

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা, ১০ ডিসেম্বর ॥ ভোলা-১ আসনের প্রার্থী ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল ২০০১ সালের পর তখন মানুষের ওপর তারা সীমাহীন অত্যাচার করেছিল। গ্রামগঞ্জের মানুষ সেই অত্যাচারের কথা ভোলেনি। তাই এবার তারা ব্যালটের মাধ্যমে ধানের শীষের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তাদের ওপর নির্যাতন, অত্যাচার এবং মা-বোনের ইজ্জত লুণ্ঠনের সমুচিত জবাব দেবে। সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক দলীয় বিভিন্ন প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন। এসময় তোফায়েল আহমেদের হাতে দলীয় নৌকা প্রতীকের কাগজ তুলে দেন রিটার্নিং অফিসার। এছাড়া জেলার অন্য আসনগুলোতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীদের প্রতীক প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আজ থেকে আমাদের নির্বাচনী প্রচার শুরু হলো। জনগণের কাছে যাব। এখানে পানিসম্পদমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ছিল। তারা নদী ভাঙ্গন রোধে কোন চেষ্টা করেনি। আমিসহ চার এমপি আলী আজম মুকুল, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব স্বস্ব এলাকায় সবচেয়ে বড় সমস্যা নদী ভাঙ্গন রোধ করেছি। আমরা আশা করি ভোলায় চারটি আসনে আবার আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবারও সরকার গঠন করবে। তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় দিন বদলের সনদ দিয়েছিল। এবারও আমরা নির্বাচনী অঙ্গীকারে যে ইশতেহার দেব তা ঐতিহাসিক। কারণ ২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। ২০২১ সাল স্বাধীনতার ৫০ সুবর্ণ জয়ন্তী। এটাকে সামনে রেখে আমাদের ইশতেহার সাজানো হয়েছে। আজ বাংলাদেশ স্বল্প উন্নয়ন দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হতে চলেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা পৃথিবীর মধ্যে প্রাইজ ওয়াটার হাউজ কুপারের রিসার্চ অনুসারে ২৮তম অর্থনৈতিক দেশ ও এইচআরবিসি রিসার্চ অনুসারে ২৬ তম অর্থনীতিতে আমাদের এ কথাগুলো থাকবে। এবং প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন গ্রামকে শহর করা সে ব্যাপারে আমরা চিত্র তুলে ধরব। ইতোমধ্যে গ্রাম শহরে রূপান্তরিত হয়েছে। এখন ঘরে ঘরে বিদ্যুত। রাস্তঘাট সব পাকা, যেন শহর। ইশতেহারে ঐতিহাসিক কতক সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করেছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক আরজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।

নির্বাচিত সংবাদ