১২ ডিসেম্বর ২০১৮

যুদ্ধাপরাধী অনুপ্রবেশকারী দলকে নির্বাচনী প্রচারণা করতে দেবে না ঢাবি ছাত্রলীগ

যুদ্ধাপরাধী অনুপ্রবেশকারী দলকে নির্বাচনী প্রচারণা করতে দেবে না ঢাবি ছাত্রলীগ

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় যুদ্ধাপরাধী অনুপ্রবেশকারী রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী প্রচারণা করতে দেয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সন্ত্রাসবিরোধী রাজুভাস্কর্যের পাদদেশে এক সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এই ঘোষণা দেন। এর আগে জামায়াত প্রার্থীদের বয়কট ও জামাতি পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে ঢাবি ছাত্রলীগ। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসসহ বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে স্লোগান ৭১, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদ, ডিবেটিং সোসাইটি, মাইম একশনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংহতি করেন। ঢাকা- ৮ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান মেনন সমাবেশের শেষের দিকে সংহতি প্রকাশ করেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, যারা ৭১ এর প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি তাদের জন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরেকটি যুদ্ধ হিসেবে উপনীত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে জয়ী করার মাধ্যমে তাদেরকে এ মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হতে হবে।

সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, যে দলের প্রতীক নিয়ে যুদ্ধাপরাধীরা সংসদে যাওয়ার পাঁয়তারা করছে, সেই দলকেও আমরা নিশ্চিতভাবে যুদ্ধাপরাধীদের দল বলতে পারি। আর সেই দল হচ্ছে বিএনপি ও তথাকথিত ঐক্যফ্রন্ট। তাদের কেউ কেউ সংবিধান প্রণেতা কমিটিতে ছিলেন। তাদেরকে সামনে রেখে পর্দার আড়াল থেকে ষড়যন্ত্রের কলকাঠি নাড়ছেন তারেক জিয়া। আমরা ছাত্রলীগ তারেক জিয়াকে হুশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, এই বাংলাদেশে কোনো ধরণের জঙ্গী কার্যক্রম চালাতে দেয়া হবে না। আপনি নিজে বাংলাদেশে নাই, এই বাংলার মানুষের মানুষের সুখ দুঃখ, ভালো-মন্দ এসবের সাথে আপনি পরিচিত নন। আপনি নিজে মূর্খ, মূর্খের সরকারই কায়েম করতে চান এই বাংলাদেশে। আমরা এই ছাত্র সমাজ তা কখনো হতে দেবো না।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মুক্তাঙ্গন হিসেবে থাকবে। এই ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকারে রাজনৈতিক দলছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের প্রচারণা দেখতে চাই না। যুদ্ধাপরাধী প্রবেশকারী কোনো রাজনৈতিক দলকে প্রচারণা করতে দেখলে আমরা সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে প্রতিহত করব।