১৬ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঐশী বিশ্বের ১৩তম সুন্দরী

  • সব্যসাচী দাশ

অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত শনিবার চীনের সানইয়াহ শহরে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে। সেখানে সেরা ১০ থেকে সেরা ১২ নির্বাচন করা হয়। এই শট লিস্ট থেকে বাদ পরে বাংলাদেশের জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। অবশেষে বিশ্বের সেরা সেরা সুন্দরীদের টপকে ৬৮তম ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ তালিকায় নাম লেখান মেক্সিকোর ভেনিস পোনস দে লিওন। মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৮ এর সুন্দরীর মুকুট পরিয়ে দেন ২০১৭ এর মিস ওয়ার্ল্ড ভারতের মানুশি চিল। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গৌরব হলো ঐশীর ১৩তম অবস্থান।

ঐশী বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি সাধারণ মেয়ে। মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিয়োগিতা কী কিংবা এর গুরুত্ব কী এসবের কোন কিছুই তার পরিবার ওয়াকিবহাল নয়। একটি মধ্যবিত্ত সাধারণ বাঙালী ঘরের মেয়ে ঐশী। উচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানী শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন শুরু করেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি একরকম কৌতূহল বশত নাম লেখান মিস বাংলদেশের প্রতিযোগিতায়। অতপর নিজের রূপ, গুণ এবং মেধা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেন। কেবল সৌন্দার্যেই নয় বুদ্ধিমত্তা এবং মননে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গেল প্রতিযোগিতায় অদ্বিতীয়। তার স্পষ্ট ছাপ তিনি রেখেছেন বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার মঞ্চে।

এখন কথা হলো- বিশ্বের অনেক দেশে যেখানে সুন্দরী বা ‘গ্ল্যামার গার্ল’ এক রকম হাতে ধরে তৈরি করা হয় সেখানে আমাদের মতো পিছিয়ে থাকা দেশেও যে প্রাকৃতিক গ্ল্যামারাস গার্ল খুঁজে পাওয়া যায় এবং তাদের দিয়ে সুন্দরীদের বিশ্বমঞ্চ রাঙ্গানো যায় এর একটা শক্ত দৃষ্টান্ত এবার পরিষ্কার দেখা গেল। এখন যে বা যারা এই বিষয়ে খুব আগ্রহী তাদের যথাযথ দেখভাল করলে আগামীতে হয়ত কাছাকাছি সময়ে একজন বাংলাদেশী ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ পেয়ে যাব। যেভাবে অন্য দেশগুলো পেয়ে আসছে।