১৯ জানুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা নামছে মাঠে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর বাকি মাত্র ১৬ দিন। দেশবাসীর একটিই চাওয়া আগামী ৩০ ডিসেম্বর একটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছেন তারা। তারা বলছেন, ভোট যেন সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। ভোটাররা নির্বিঘ্নে যেন ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে। একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনাও চূড়ান্ত করতে আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। আজকে বৈঠকে নির্বাচনের আগে সারাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হবে। সেই অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিকল্পনা চ‚ড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে মোট ৯ দিনের মতো মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ ও বিমান)। আগামী ২৪ ডিসেম্বর তাদের মাঠে নামার কথা। ভোটগ্রহণের পরের দুইদিনও মাঠে অবস্থান করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। আজ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট নেয়া হবে। ইসি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে যেকোন সময় মাঠে নামবে সেনাবাহিনী। তবে এর আগে তারা ১৫ ডিসেম্বর থেকে পরিস্থিতি অবলোকন (রেকি) করবে তারা। সেনাবাহিনীর প্রতিটি টিমের সঙ্গে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠকে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী কতদিন মাঠে অবস্থান করবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কতদিন মাঠে অবস্থান করবেন, সে বিষয়টিও ওই বৈঠকে চূড়ান্ত হবে।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ‘মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯’-এর আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারাদেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকার সার্বিক শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধের জন্য ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা প্রয়োজন। সেইসঙ্গে ২৪-২৬ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত মোতায়েন করা সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, ব্যাটালিয়ান আনসারের মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে একজন করে এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী) ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজন হবে।

চিঠিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আদলে এবারও ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।