২১ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেন পেন্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিষয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স প্রকাশ্যে নীরব ভূমিকা পালন করলেও একান্তে তার পক্ষেই অনেক কাজ করেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এ মাসে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মেক্সিকোর নতুন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের সময় কিছু মন্তব্য ব্যক্ত করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগীদের সঙ্গে দুটি আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছেন। আহ্বানগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে, শুক্রবার ব্রেক্সিট-ভোট বিষয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এবং অন্যটি হচ্ছে মঙ্গলবার ভোরে ইরাকী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। কিন্তু ওভাল অফিসে মঙ্গলবার সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার ও নিম্নকক্ষের সংখ্যালঘু নেতা ন্যান্সি পেলোসির সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যখন তুমুল বাদানুবাদ চলছিল তখন অনেক আমেরিকানই টেলিভিশনে তা দেখছিলেন। তারা এও দেখছিলেন যে ট্রাম্প ও পেলোসির মাঝখানে বসা ভাইস প্রেসিডেন্ট পেন্স ছিলেন পাথরের মতো নিশ্চুপ। এ রকমটা ছিলেন তিনি অনুষ্ঠানের বেশির ভাগ সময় ২০ মিনিটজুড়ে। পেন্স যে সময় বক্তব্য প্রদানকারীদের প্রতি স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলেন এবং মাঝে মধ্যে সামনের দিকে সরাসরি দৃষ্টি নিক্ষেপ করেছেন স্থিরভাবে। তিনি কখনও কথা বলেননি একটিও। এ ধরনের মনোভাব দেখে কেউ ভাবতেই পারে যে, পেন্স ছিলেন বিচ্ছিন্ন, এমনকি অনেক দূরে। এটা নিশ্চিত, প্রেসিডেন্টকে ফ্লোর দেয়ার বিষয়টি ভাইস প্রেসিডেন্টের জন্য অস্বাভাবিক নয় যখন সাংবাদিক ও চিত্রগ্রাহকদের অনুষ্ঠান ধারণের জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে শুরু থেকেই। কিন্তু মঙ্গলবারের বৈঠকটি সামনে বেড়েছে। পেন্স যে তিনজনের সঙ্গে বলেছিলেন তাদের সঙ্গে তার বৈসাদৃশ্য কেবল বাড়ছিল। এর আংশিক কারণ হচ্ছে, এ আলোচনা অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার ইচ্ছা পেন্সের কখনও ছিল না। সিএনবিসিকে এ কথা বলেছেন হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা। পেন্স সেখানে গেছেন শুনতে এবং এরপর আলোচনার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য ক্যাপিটল হিলে পৌঁছে দিতে। কর্মকর্তাটি জানান, নিয়ম অনুযায়ী পেন্স একান্তে তার মতামত ও পরামর্শ প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। ওভাল অফিসে বিশেষ ধরনের বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তারপরও ট্রাম্প ও পেন্সের প্রকাশ্য অভিব্যক্তি কত পৃথক। একদিকে প্রেসিডেন্টের ক্ষোভ বাড়ছে অন্যদিকে পেন্স প্রায় স্বাভাবিকভাবে শান্ত ও নীরব থেকেছেন। তারপরও বৈঠক শেষ হওয়ার পর সরকারের আলোচনা বন্ধ রোধে পেন্সের ওপরই গুরুত্বারোপ করা হয়। পেন্স ক্যাপিটল হিলে গিয়ে প্রেসিডেন্টের অফিসে ঠিক কী ঘটেছে যে বিষয়ে সাপ্তাহিক ভোজসভায় রিপাবলিকান সিনেটরদের অবহিত করেন। সিএনবিসি।

পেন্স যখন হিলে তখন ট্রাম্পের মাথায় স্থান পায়- অন্য একটি জরুরী সমস্যা বিষয়। প্রেসিডেন্ট সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কমির বিরুদ্ধে টুইটার লেখেন। কমি চলমান বিশেষ উপদেষ্টা তদন্তে প্রেসিডেন্টের প্রধান বিরোধী হিসেবে ওঠে এসেছেন।