২১ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অকেজো হয়ে পড়ছে মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিনগুলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাব

জাহাজ নির্মাণ কারখানায় (শিপইয়ার্ড) অতিরিক্ত কাজের চাপে মেরামত বিলম্ব হওয়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর তিনটি পরমাণু শক্তিচালিত এ্যাটাক সাবমেরিনকে বর্তমানে পানিতে নামানোর অনুমতি দেয়া হচ্ছে না । কর্মকর্তারা বুধবার এ কথা জানিয়েছেন। সিএনএন।

সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক শুনানিতে নেভাল অপারেশন্সের উপ-প্রধান এ্যাডমিরাল উইলিয়াম মোরান আইনপ্রণেতাদের বলেন, সাবমেরিনগুলোর একটি ইউএসএস বোইস চার বছর মেরামতের বাইরে থাকার পর পরিশেষে জানুয়ারিতে শিপইয়ার্ডে প্রবেশ করবে। তিনি বলেন, দুটি অতিরিক্ত এ্যাটাক সাবমেরিন বর্তমানে কর্মক্ষম নয় এবং মেরামতের জন্য নতুন বছরে শুষ্ক প্রতাশ্রয়ে (ড্রাই ডক) যাবে। নৌবাহিনী সাবমেরিনের রক্ষণাবেক্ষণের চ্যালেঞ্জগুলো খুঁজে বের করতে কাজ করছে, তারা এই প্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে বেসরকারী শিপইয়ার্ডের পাশাপাশি সরকারী শিপইয়ার্ডেও ধর্ণা দিয়েছেন। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের চ্যালেঞ্জগুলো খুঁজতে যখন কাজ শুরু হয়েছে সে সময় তাদের সাবমেরিন বহরের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় বেরিয়ে এসেছে। নৌবাহিনী কর্মকর্তারা বুধবার শনাক্ত করেছেন যে, আরও অনেক কাজ প্রয়োজন। মোরান আইনপ্রণেতাদের বলেন, আমাদের কর্মক্ষম সাবমেরিনগুলোতে সাধনযোগ্য চ্যালেঞ্জ থাকার পর আমরা আক্রমণাত্মকভাবে চলে গেছি এবং তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ড্রাইভার শনাক্ত করেছি। এগুলো হচ্ছে- সরকারী শিপইয়ার্ডের সক্ষমতা, শিপইয়ার্ডে উৎপাদনশীলতা এবং যন্ত্রাংশের প্রাপ্যতা।

বুধবার প্রকাশিত গবর্নমেন্ট একাইন্টেবিলিটি অফিসের এক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, সমস্যাগুলো আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে, ভালর দিকে নয়। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মেরামতে বিলম্ব হওয়ার কারণে ২০১২ সাল থেকে নৌবাহিনীর সাবমেরিনগুলো অতিরিক্ত ৭ হাজার ৩ শ’ ২১ দিন কর্মস্থলের বাইরে রয়েছে। ইউএসএস বোইসের একটা ব্যবস্থা করতে পারায় নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা সাবমেরিনগুলো মেরামতের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা এড়ানোর আশা করছেন। অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধ সত্ত্বেও বছর বছর বাজেট কাট ও ক্রমাগত রেজ্যুলুশন নৌবাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণ ও জাহাজ তৈরির প্রচেষ্টার ওপর তীব্র প্রভাব ফেলেছে।