১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

ভালুকায় বৃদ্ধা মাকে জবাই করে হত্যা ॥ আটক

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভালুকা, ময়মনসিংহ, ১৩ ডিসেম্বর ॥ হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া ডোবালিয়া পাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে মরিয়ম বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে তার ছেলে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার জামিরদিয়া ডোবালিয়া পাড়ায় মোস্তফা (৪৫) নামে এক পাষন্ড ছেলে বাড়ির উঠানে নিজ হাতে দা দিয়ে জবাই করে এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার পর ঘাতক ছেলেকে এলাকাবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

জানা যায়, ওই গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের স্ত্রী মরিয়ম বেগম যে ঘরটিতে থাকতেন তা ছেড়ে দেয়ার জন্য তার পুত্র অটোচালক মোস্তফা দীর্ঘদিন যাবত মায়ের ওপর নানাভাবে অত্যাচার করে আসছিল। এলাকাবাসী জানায়, তার মাকে বাড়ির উঠানে জবাই করার পর ঘাতক মোস্তফা দৌড়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী দোকানপাটের সামনে গিয়ে বলতে থাকে মাকে আমি মেরে ফেলেছি। এ সময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে। হবিরবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মেদ বাচ্চু জানান, ভাইদের মধ্যে মরিয়ম বেগমের থাকার ঘর ও জমি নিয়ে বিরোধের কারণে বেশ কয়েকবার দরবার-সালিশ করেছেন কিন্তু কোন পক্ষই সালিশ মানেনি।

রূপগঞ্জে যুবক

নিজস্ব সংবাদদাতা রূপগঞ্জ থেকে জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে সুমন মিয়া নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া নগর এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। নিহত সুমন মিয়া মুড়াপাড়া নগড় এলাকার মৃত তারা মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, মুড়াপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপরাধের কারণে সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে রূপগঞ্জসহ বিভিন্ন থানায় প্রায় ডজনখানেক মামলা রয়েছে। গত দুই বছর আগে সুমন মিয়া মাদক ব্যবসাসহ অপরাধ ছেড়ে দিয়ে নিজ এলাকায় হাঁস-মুরগি ও মাছের খামারের ব্যবসা শুরু করে। এর আগে কয়েক বছর ধরেই মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মুড়াপাড়া নগড় এলাকার সজল, তুষার, সাদ্দাম, রবিন, কবিরের সঙ্গে সুমন মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল। আর ওই বিরোধের জের ধরেই বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সজল, তুষার, সাদ্দাম, রবিন, কবির, বাসুসহ তাদের লোকজন হাঁস-মুরগি ও মাছের খামারের সামনে রামদাসহ ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সুমনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সুমনকে এলোপাথাড়িভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। শুধু তাই নয়, হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটিয়ে হামলাকারীরা সুমনের বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর চালায়।