২২ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘একটা হোন্ডা-দুইটা গুন্ডা- ইলেকশন ঠান্ডা’ এই হলো বিএনপি : মতিয়া চৌধুরী

‘একটা হোন্ডা-দুইটা গুন্ডা- ইলেকশন ঠান্ডা’ এই হলো বিএনপি  : মতিয়া চৌধুরী

নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর ॥ বিএনপি কাজ না করে মানুষের হক খেয়ে ভোট লুট করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, শেরপুর-২ (নালিতাবাড়ী-নকলা) আসনে মহাজোট সমর্থিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নালিতাবাড়ী উপজেলার নলজোড়া ইন্তাজ আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আমরা ভোট নিয়ে কাজ করি। কাজ না করে ভোট পাওয়া যায় না। আমরা অপোজিশনে থেকেও কাজ করি। আর এরা (বিএনপি) কোন কাজ না করে টিআর-কাবিখা লুটপাট করে। আমরা কাজ করে ভোট পেতে চাই। আর ওরা কাজ না করে মানুষের হক খেয়ে ভোট লুট করতে চায়। এই হলো পার্থক্য বিএনপির সঙ্গে বা অন্যান্যদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের।

তিনি জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বলেন কাজ করেছি কিনা?’ তার কথায় জনতা সাড়া দিলে তিনি বলেন, ‘যদি কাজ করে থাকি, তবে আরও কাজ করতে চাই।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘একটা হোন্ডা-দুইটা গুন্ডা- ইলেকশন ঠান্ডা’ এই হলো বিএনপি’র নীতি। আর আওয়ামী লীগের নীতি হচ্ছে জনগনের ম্যান্ডেট। আওয়ামী লীগ সারা জীবন জনগণের রায় নিয়ে ক্ষমতায় গেছে।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ বিএনপি’র দুঃশাসনের কথা ভুলেনি। দেশের জনগণকে তারা উপহার দিয়েছিল দুঃশাসন, কুশাসন অদক্ষতা আর অযোগ্যতা। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর ৭১ সালের নির্যাতনকে হার মানিয়েছে বিএনপি। তারা গ্রামের পর গ্রাম মেয়েদের পাশবিক অত্যাচার করেছে। বিএনপি’র শাসন মানেই খুন, জখম আর রাহাজানি। চট্টগ্রামের নিরীহ স্কুল শিক্ষক গোপাল কৃষ্ণ মহুরীকে গুলি করে মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়ার কথা মনে হলে মানুষ এখনও আঁতকে ওঠে। এরা ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে না।

মতিয়া চৌধুরী আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে ইমারজেন্সী আসে। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তাদের কুশাসনের ফলে দেশে ইমারজেন্সী এলো। অথচ এর পূর্বে জননেত্রী শেখ হাসিনা সফলভাবে দেশ চালিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করল। অন্যদের সাথে শেখ হাসিনার পার্থক্য এখানেই। শেখ হাসিনা পারে। বিএনপি পারে না।

রাজনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল হোসেন মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম উকিল, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ বকুল প্রমুখ। সভায় হাজারও নেতা-কর্মী ও নৌকা সমর্থকরা অংশ নেন। এর আগে মন্ত্রী নন্নী ইউনিয়নে ও পরে শহরের কামারপট্টিতে পৃথক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন।