২৩ জানুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিপিডির বক্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ॥ অর্থমন্ত্রী

  • কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণ ৭৫০ মিলিয়ন ডলার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ব্যাংকিং খাত নিয়ে সিপিডির বক্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সম্প্রতি যে তথ্য প্রকাশ করেছে তা ঠিক নয়। এছাড়া বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পে ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের অর্থ ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঋণ সহায়তার প্রথম বছরের অংশ হিসেবে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রস্তাব বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় ১২ ডিসেম্বর অনুমোদন লাভ করেছে। এর ফলে দেশে ব্যাপকভিত্তিতে কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পগুলোতে বেসরকারী খাতের বিনিয়োগ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। আর বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ পাওয়ার বিষয়টিও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করা হয়। মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, সিপিডির বক্তব্য রাজনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংগঠনটি গত কয়েক বছর যাবত বিভিন্ন ইস্যুতে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে আসছে। ব্যাংকিং খাত নিয়ে সংস্থাটি যে বক্তব্য দিয়েছে তা বছরের অধিকাংশ সময় পত্রপত্রিকায় এসেছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বেশকিছু বড় ঋণের টাকা ফেরত আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। টাকা আসবে। সিপিডি যেভাবে অর্থ লোপাট হওয়ার কথা বলছে তা সঠিক নয়।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার ঢাকার একটি স্থানীয় হোটেলে ‘বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে আমাদের করণীয় কী’ শীর্ষক এক সেমিনারের সিপিডির পক্ষ থেকে বলা হয়, এক দশকে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার নামে ২২ হাজার ৫০২ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। সেমিনারে সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। সুশাসনের অভাবে বিভিন্নভাবে লুটপাট হওয়ায় পুরো আর্থিক খাতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ ॥ কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ৭৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে বাংলাদেশকে। তিন কিস্তিতে প্রদেয় এই ঋণের প্রথম কিস্তি ২৫০ মিলিয়ন ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় অনুমোদন হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিবেশ আধুনিকায়ন, শ্রমিকের অধিকতর সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও সকল শ্রেণীর মানুষের কর্মে অধিকতর প্রবেশে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এ সংক্রান্ত আইন, বিধি ও নীতি-কৌশল সংস্কারের উদ্যোগকে সমর্থন জানাতেই এই ঋণ দিচ্ছে বলে মনে করে অর্থ মন্ত্রণালয়।