১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝলক

শৌচাগার না বানানোয়...

শৌচাগার তৈরি করে দেয়ার কথা দিয়ে তা না রাখায় ভারতের সাত বছরের একটি কন্যাশিশু তার বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। পুলিশের কাছে একটি চিঠিতে সাত বছরের হানিফা জারা অভিযোগ করেছে, তার বাবা তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, সেজন্য তাকে গ্রেফতার করা উচিত। কারণ বাইরে খোলা স্থানে মলমূত্র ত্যাগ করতে তার অনেক লজ্জা লাগে। এখনও অনেক ভারতীয় শৌচাগার সুবিধার বাইরে রয়েছে। ইউনিসেফের হিসেবে, ভারতের অন্তত পঞ্চাশ কোটি মানুষ ঘরের বাইরে মাঠেঘাটে বা খোলা স্থানে মলমূত্র ত্যাগ করে। তামিলনাড়ুূর আম্বুর শহরে বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করে হানিফা। তাদের বাড়িতে কোন শৌচাগার নেই। হানিফা বলেছে, তাদের বাড়ির আশপাশের কয়েকজন প্রতিবেশীর এই সুবিধা রয়েছে। তাই বাড়িতে একটি শৌচাগার বানানোর জন্য সে তার বাবাকে বলেছিল। তখন সে নার্সারিতে পড়ত। হানিফা বলে, বাইরে গিয়ে মলমূত্র ত্যাগ করতে আমার লজ্জা লাগে। যখন মানুষজন আমার দিকে তাকিয়ে থাকে, তখন আমার খুব খারাপ লাগে। খোলা স্থানে পয়ঃনিষ্কাশনের ক্ষতি সম্পর্কে শিক্ষকদের কাছে জানার পর সে এ বিষয়ে আরও বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে। পুলিশের কাছে লেখা চিঠিতে হানিফা লিখেছে, তার বাবা তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যদি সে পরীক্ষায় ভাল ফল করে তাহলে বাড়িতে পরিপাটি শৌচাগার বানিয়ে দেয়া হবে। কিন্তু মেয়েটির বাবা তার প্রতিশ্রুতি রাখেনি। এ বিষয়ে হানিফা পুলিশকে বলেছে, নার্সারি থেকে আমি আমার ক্লাসে সবচেয়ে ভাল ফল করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছি। আমি সেকেন্ড হয়েছি। এরপরও আমার বাবা শুধু বলেই যাচ্ছেন যে, তিনি টয়লেট বানাবেন। এটা স্রেফ প্রতারণা। তাকে গ্রেফতার করুন।-বিবিসি অবলম্বনে।

স্বর্ণপ্রেমী পুরুষ

আমাদের দেশের মহিলারা কোথাও গেলে একটু-আধটু স্বর্ণ অলঙ্কার পরেন। তবে এবার একজন স্বর্ণপ্রেমিকের কথা শুনলে যে কারও চোখ কপালে উঠবে। ত্রান নগ পু নামের ৩৬ বছর বয়সী এক ভিয়েতনামী কোথাও যাওয়ার সময় পাক্কা ১৩ কেজি ওজনের স্বর্ণ অলঙ্কার পরেন। এই স্বর্ণ অলঙ্কারগুলো ডাকাতের হাত থেকে রক্ষার জন্য তিনি অন্তত পাঁচজন বিশালদেহী দেহরক্ষী পোষেণ। স্বর্ণের প্রতি তার এই টান অবশ্য অন্য কারণে। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে এই ব্যবসায়ী বলেন, ছোটবেলায় আমাকে একজন বলেছিলেন, তুমি স্বর্ণ ব্যবহার করলে ধনী হতে পারবে। সেই থেকে আমি স্বর্ণের নানারকম জিনিস ব্যবহার শুরু করি। এক পর্যায়ে আমি ব্যবসায় সফলতা পাই। আর স্বর্ণের প্রতি আমার টানও বাড়তে থাকে। এভাবে আমি ১৩ কেজি স্বর্ণ অলঙ্কার ও অগাধ সম্পদের মালিক হই। ত্রান নগ পুয়ের অলঙ্কারগুলোর মধ্যে ৫ কেজি ওজনের একটি চেইন, ৫ কেজি ওজনের দুইটি ব্রেসলেট, আধা কেজি ওজনের কয়েকটি আংটি ও বাজুবন্ধ রয়েছে। ভিয়েতনামী মুদ্রা ডংয়ে এগুলোর দাম ১৩শ’ কোটি।

ভিয়েতনামের রাজধানী হোচি মিন সিটিতে অনেক কায়ক্লেশে বেড়ে ওঠেন ত্রান নগ পু। এরপর কুড়ি বছর বয়সে একজনের পরামর্শে স্বর্ণ ব্যবহার শুরু করেন ও তেলের ব্যবসায় হাত দেন। তারপর ত্রান নগ পুকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ব্যাংকক পোস্ট অবলম্বনে।