১৯ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে যারা ঐক্য করেছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান

স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে যারা ঐক্য করেছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ ভোলা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ আজ সঠিক পথে এগিয়ে চলেছে। এখানে যদি কোন ব্যাত্যয় ঘটে তবে দেশে আবার ২০০১ সালের মতো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে যাবে। সে জন্য বাংলার মানুষ আবার ঐক্যবদ্ধ ভাবে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করে আবার বঙ্গবদ্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে প্রধান মন্ত্রী নির্বাচিত করবে।

আজ রবিবার ভোরে ভোলায় জেলা প্রশাসক প্রাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বাণিজ্যমন্ত্রী পুস্পার্ঘ্য অর্পন করেন। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নর জবাবে তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি ৩০ লক্ষ শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। ৪ জাতীয় নেতা বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন। শহীদ মিানেরর প্রাদদেশে দাড়িয়ে বাংলার জনগনের কাছে আহবান জানাবো। যারা মাকে ছেলে হারা করেছিলো। বাবাকে পুত্র হারা করে ছিলো। বোনকে স্বামী হারা করেছিলো। সেই স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে যার আজ হাত মিলিয়ে ঐক্য করেছে তাদের বিরুদ্ধে যেন স্বাধীনতার চেতনা এবং মূল্যবোধ নিয়ে যেন রুখে দাড়ায় এবং আগামী নির্বাচনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রক্তে গড়া দল আওয়ামী লীগকে যেন আবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিজয়ী করে এটিই আজ ১৬ ডিসেম্বর আমার প্রত্যাশা।

তোফায়েল বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে আত্মসমর্পনে বাধ্য করে আমরা বিজয় লাভ করেছি। সেই বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদ দিবসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা করি। তিনি অনেক কষ্টে করে মৃত্যুকে আলীঙ্গন করে এই বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে। বঙ্গবন্ধুর দুইটি স্বপ্ন ছিলো একটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা , আরেকটি বাংলাদেশকে ক্ষুদা মুক্ত দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলার করা। একটি তিনি করে গেছেন। বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক ভাবে মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে চলছিলো তখনি ঘাতকের গুলিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বিদেশে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ কন্যার হাতে আমরা আওয়ামীলীগের পতাকা আমরা তুলে দিয়েছিলাম। সেই পতাকা হাতে নিয়ে নিষ্ঠার সাথে তিনি দলকে পরিচালনা করে ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে। আবার ২০০৮ সালে বিজয়ী হয়ে ১০ বছর ধরে রাষ্ট্র পরিচালনা করে বাংলাদেশকে জাতীর পিতার সেই স্বপ্নের সোনার বাংলা রুপান্তরিত করার পথে এগিয়ে নিয়ে চলে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে আসিন করেছেন ।

এদিকে ভোলা জেলা প্রাশসক,পুলিশ প্রশাসন,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড,ভোলা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ভোলা শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে এবং যুগীরঘোল ওপদা কলোনির বদ্ধ ভূমিতে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান এবং দোয়া মুনাজাতের মাধ্যমে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।