১৯ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভোলায় দুইটা সসন্ত্রাসী আছে : তোফায়েল আহমেদ

ভোলায় দুইটা সসন্ত্রাসী আছে   :  তোফায়েল আহমেদ

নিজস্ব সংবাদাদাতা, ভোলা ॥ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সাথে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিল। তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করেছেন। গোলাম আজমকে দেশে এনে রাজনীতি করতে দিয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধী নিজামী মুজাহিদিদের গাড়িতে পতাকা দিয়েছিলেন। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তাদেরকে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পূনর্বাসিত করেছে। তিনি আরও বলেন, এতদিন ভোলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল।

ভোলায় দুইটা সন্ত্রাসী আছে। একটা মেজর হাফিজ। আর একটা হাফিজ ইব্রাহিম। মেজর হাফিজ এসেছে গতকাল (শনিবার) আর হাফিজ ইব্রাহিম এসেছে আজ (রবিবার)। এরা ভোলায় আসার পর ভোলা উত্তপ্ত হয়ে গেছে। মেজর হাফিজ ২০০১ সালে অত্যাচারের স্টিম রোলার চালিয়েছে। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে লালমোহনের মা বোনেরা বিলের পানির মধ্যে গিয়ে পালিয়েও সম্ভ্রম রক্ষা করতে পারেনি। আর হাফিজ ইব্রাহিম ৩০০ হেলমেটধারী সন্ত্রাসী নিয়ে এলাকায় এসেছে। ২০০১ সালে হাফিজ ইব্রাহিম নুরমিয়ার হাট ৪ জনকে খুন করেছে। চরপাতার সৃষ্টি তলায় শশী ডাক্তার ও বশিরকে হত্যা করেছে। রশিদ মাস্টারকে আওয়ামী লীগ করার অপরাধে জুতার মালা পরিয়ে এলাকায় ঘুরিয়েছে। এই অপমানে তিনি হার্ট এ্যাটাকে মারা গেছেন।

রবিবার বিকালে ভোলা বাংলাস্কুল মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মহান বিজয় দিসবের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেছেন।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ড. কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু এখন লোকজন তাকে সন্দেহ করে। কারণ ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানের কোথায় ছিলেন ? তা না হলে বঙ্গবন্ধুর রক্তের সাথে বেইমানী করে যারা স্বাধীনতা বিরোধী, যারা ৩০ লক্ষ শহীদকে হত্যাকারী, যারা গ্রেনেড নিক্ষেপ করে প্রধান মন্ত্রীকে হত্যা করার চেষ্টা করে, আইভি রহমানসহ ২২ জনকে খুন করেছে, যারা ফাসির আসামী এখন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তারেক জিয়া, তাদের সাথে ড. কামাল হাত মিলায় কিভাবে ? নীতি কথা বলে ? কী নীতি আছে তার? মন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের আ স ম আব্দুর রব। স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ আজকে জামায়াতের, বিএনপির মার্কা নিয়া, ধানের শীষ নিয়া আজকে ইলেকশন করে। কোথায় স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিষদ, কোথায় নীতিবোধ ?

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মমিন টুলুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ভোলা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, ভোলা পৌর মেয়র জেলা যুবলীগ সভাপতি মো: মনিরুজ্জামান মনির, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম প্রমূখ।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া