২১ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার

রাজু মোস্তাফিজ, কুড়িগ্রাম ॥ নির্বাচনী প্রচার জমে উঠেছে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে। এই আসনে বিভিন্ন দলের একাধিক প্রার্থী থাকলেও নেই কোন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপি-আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টির মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে এই আসনে। ইতোমধ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে উঠেছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

প্রয়াত একেএম মাইদুল ইসলাম দল বদল করে এই আসনের কয়েকবার এমপি নির্বাচিত হন এই আসনে। চলতি বছরের মে মাসে তিনি মারা গেলে জুলাই মাসে এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উপনির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেয়ায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী ডাঃ আক্কাছ আলী সরকার আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক এমএ মতিনকে পরাজিত করে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর উন্মুক্তভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সুযোগ কাজে লাগিয়ে আসনটি পুনঃউদ্ধারে মরিয়া আর জাতীয় পার্টি আসনটি দখলে রাখতে মাঠ কাজ করছে। নির্বাচনে বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষের একক প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সভাপতি তারভীর উল ইসলামকে ঘোষণা করে। আসনটি দখলে নিতে যতই প্রতিরোধ আসুক কোনভাবেই নির্বাচনের মাঠ না ছাড়ার ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর। বড় তিনটি দলের প্রার্থী, কর্মী ও সমর্থকরা জোর প্রচারে নেমেছেন। ইতোমধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রচার কাজে নেতাকর্মীদের বাধা দেয়ার অভিযোগ তুলেছে আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিএনপির এমন মিথ্যাচার করার অভিযোগ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি প্রার্থীদের। আওয়ামী লীগ প্রার্থী অধ্যাপক এমএ মতিন জানান তাদের আসনে কোথায় কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন প্রচার উৎসবমুখর পরিবেশেই হচ্ছে। মহাজোটের একক প্রার্থী না থাকলেও এর প্রভাব নির্বাচনে পড়বে না। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পার্টি প্রার্থী ডাঃ আক্কাছ আলী সরকার জানান, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সৎ যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দেবেন ভোটাররা। এছাড়াও ভোটাররা নির্বিঘেœ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে যেন ভোট দিতে পারেন সে ব্যাপারে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানান।