১৯ জানুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নাট্যম রেপার্টরির ‘দমের মাদার’ নাটকের ৫০তম প্রদর্শনী

 নাট্যম রেপার্টরির ‘দমের মাদার’ নাটকের ৫০তম প্রদর্শনী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে নাট্যম রেপার্টরির বহুল আলোচিত এবং দর্শক নন্দিত প্রযোজনা ‘দমের মাদার’ নাটকের ৪৯তম প্রদর্শনী হলো গত ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়। দল সূত্রে জানা যায় পশ্বিমবঙ্গের কলকাতার রবীন্দ্র সদনে নাট্যম রেপার্টরি তাদের ‘দমের মাদার’ নাটকের ৫০তম প্রদর্শনী করবে। ভারতের স্বনামধন্য নাট্য সংগঠন ঋত্ত্বিক আয়োজিত দেশ বিদেশের নাট্যমেলার শেষ দিন আগামী ১৯ ডিসেম্বর মঞ্চস্থ হবে বাংলাদেশের নাটক ‘দমের মাদার’। দেশ বিদেশের নাট্যমেলাতেই নাট্যমের ৫০তম প্রদর্শনী সম্পন্ন হচ্ছে। ‘দমের মাদার’ নাটকটি রচনা করেছেন সাধনা আহমেদ আর নির্দেশনা দিয়েছেন ড. আইরিন পারভীন লোপা। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন শিশির রহমান, শুভাশিষ দত্ত তন্ময়, পারভীন আখতার পারু, শামীমা আক্তার মুক্তা, ফজলে রাব্বি সুকর্ণ, দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি, তাহমিনা খানম, মনোহর দাস, অমিতাভ রাজিবসহ আরও অনেকে। পরিমল মজুমদারের সঙ্গীত পরিচালনায় নাটকে ব্যবহৃত বিভিন্ন গানের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শিশির রহমান। দৃশ্য ও আলোক পরিকল্পনা করেছেন জুনায়েদ ইউসুফ।

‘দমের মাদার’ নাটকে নাট্যকার সাধনা আহমেদ জীবনের একটি নিগূঢ় সত্যকে অনুসন্ধান করেছেন আর নির্দেশক আইরিন পারভীন লোপা সেই সত্যের প্রাণবন্ত ছবি এঁকেছেন অভিনয়শিল্পী ও কুশলীদের দিয়ে। যুগে যুগে কালে কালে ধর্মকে নিয়ে চলেছে নানা ধরনের ব্যবসা। দেশে দেশে ধর্মকে নিয়ে চলছে রাজনীতি আলাদা হয়ে যাচ্ছে মানুষ মানুষের কাছ থেকে। এ যেন এক অন্ধ রাহুর গ্রাস আর এই রাহু গ্রাস যুগ থেকে যুগান্তরে সুন্দরকে, সত্যকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। কিন্তু অসুন্দর, অসত্য কখনও মানব কল্যাণের পথে বা মানবতার পথের অন্তরায় হতে পারে না। নাট্যকার সাধনা আহমেদ এমনই এক ভাবনাকে তার নতুন ছন্দে বেঁধেছেন দমের মাদার নাটকে।

বাংলার হাজার বছরের সংস্কৃতির সব চাইতে সমৃদ্ধ আঙ্গিক বাংলার লোকপালাসমূহ। যা মূলত লোকমুখে প্রচার বা প্রসার লাভ করছে হাজার বছর ধরে। তেমনি একটি পালা মাদার পীরের আখ্যান। মাদার পীরের এক ভক্ত সম্প্রদায়কে ঘিরে গড়ে উঠেছে দমের মাদার নাটকের গল্প। আংশিক সত্য একটি ঘটনাকে আশ্রয় করে নাট্যকার সাধনা আহমেদ লোক আঙ্গিক রীতিতে নাটকটি রচনা করেছেন। কিন্তু আইরিন পারভীন লোপা সেই লোক আঙ্গিক থেকে সরে এসে নাগরিক পরিবেশন রীতিকে অবলম্বন করেছেন। তাই লোক নাটক পরিবেশন রীতিতে মঞ্চের যে নিরাভরণ রীতি সেটা এখানে পাওয়া যায় না। আবার অভিনয় রীতির ক্ষেত্রেও বিষয়টি প্রযোজ্য।