২১ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিজয় দিবস প্রদর্শনী ক্রিকেট

  • পাইলটের শহীদ জুয়েলকে হারিয়েছে নান্নুর শহীদ মোশতাক একাদশ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ প্রতিবারের মতোই ১৯৭১ সালে ক্রীড়াঙ্গনের দুই শহীদের স্মরণে এবারও বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদ জুয়েল ও শহীদ মোশতাক একাদশের মধ্যে প্রদর্শনী ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি২০ ফরমেটে খালেদ মাসুদ পাইলটের নেতৃত্বাধীন শহীদ জুয়েলকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর শহীদ মোশতাক একাদশ।

টি২০ ফরমেটের ম্যাচে টস জিতে শহীদ জুয়েলকে ব্যাটিংয়ে পাঠান শহীদ মোশতাকের অধিনায়ক নান্নু। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬০ রান তোলে শহীদ জুয়েল। ৬৮ রানের উদ্বোধনী জুটি আনেন হান্নান সরকার ও এহসানুল হক সেজান। সেজান ৩৩ বলে ৩৭, হান্নান ৩১ বলে ৩২ রানে সাজঘরে ফেরেন। পরে অধিনায়ক পাইলট ২৫ বলে ৫ চার, ১ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া ১৬ বলে ১২ করেন হাবিবুল বাশার সুমন আর ৬ বলে ১৪ রান করেন হাসিবুল হোসেন শান্ত। ১০ রান করে আউট হন নিয়ামুর রশীদ রাহুল। শহীদ মোশতাকের হয়ে ৪ ওভারে ২৪ রান খরচে ২ উইকেট নেন বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। ৪ ওভারে ৩০ রান খরচে ২ উইকেট পান ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় ছুঁয়ে ফেলে মোশতাক একাদশ। ৩৪ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৫১ রান করে অপরাজিত ছিলেন ডিকেন্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান এসেছে ওপেনার হারুনুর রশীদ লিটনের ব্যাট থেকে। এছাড়া ২১ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৭ রান করেন রফিক আর মাত্র ১২ বলে ৩ ছক্কার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৩ রান করেন অধিনায়ক নান্নু। শহীদ জুয়েল একাদশের হয়ে ৪ ওভারে ২৫ রান খরচে ২ উইকেট তুলে নেন বাঁহাতি পেসার মঞ্জুরুল ইসলাম, পেসার শান্তও ২টি উইকেট নেন।

শহীদ জুয়েল এবং শহীদ মোশতাক দুই ক্রীড়াপাগল মানুষ। প্রথমজন ক্রিকেটার, দ্বিতীয়জন সংগঠক। ২৫ মার্চ কালরাতে হানাদাররা নৃশংসভাবে হত্যা করে নির্মল মনের ক্রীড়াপাগল মোশতাক আহমেদকে। আর আবদুল হালিম চৌধুরী (জুয়েল) মুক্তিবাহিনীর দুর্ধর্ষ ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য। রাজধানীর মগবাজারে সুরকার আলতাফ মাহমুদের বাসা থেকে ২৯ আগস্ট হানাদাররা আহত অবস্থায় জুয়েলকে ক্যাম্পে ধরে নিয়ে যায়। এক সময় হত্যা করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের বড় ক্রিকেট তারকা হওয়ার রসদ জমে থাকা জুয়েলকে।