২৩ জানুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভোলা-২ আসনে আ’লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর পাল্টা পাল্টি অভিযোগ

ভোলা-২ আসনে আ’লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর পাল্টা পাল্টি অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ ভোলা-২ আসনে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজ বুধবার দুপুরে ও বিকালে পৃথক পৃথক সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম অভিযোগ করেন, তিনি নিরাপত্তাহীনতায় থাকলেও তাকে পুলিশ প্রটেকশন না দেওয়ায় নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা শুরু করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করলেও অপর দিকে ভোলা-২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আজ মুকুল বলেন, তার অভিযোগ মিথ্যা। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে বাধা দিচ্ছে না।

২০০১ সনের সময় তার পাহারসম অপকর্মের কারনে জনগনের ভয়ে তিনি নিজেই নির্বাচনী প্রচারনায় বের হচ্ছে না। অথচ পুলিশ বলছে তারা বিএনপির প্রার্থীকে তার বাসায় প্রটেকশন দিচ্ছে। ভোলা-২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আজম মুকুল বোরহানউদ্দিনে তার বাসায় পৃথক সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমকে কেউ অবরোধ করে রাখেননি। বরং তিনি বোরহানউদ্দিনে কয়েক শত বহিরাগত ক্যাডার নিয়ে এলাকায় এস তান্ডব চালায়। তার পর অশান্ত হয়ে উঠে এলাকা। ১৯টি মটরসাইকল জালিয়ে দেয়। আওয়ামী লীগের অর্ধশত নেতাকর্মীকে মারধর করে।

আওয়ামী লীগের অফিস ভাংচুর করে। ২০০১ সনে তার নির্দেশে নুরু মিয়ার হাটে মানুষ হত্যা করা হয়। মানুষের পুকুরের মাছ,গাছ,গরু,ছাগল লুট করা হয়। সংখ্যালঘুদের পাষবিক নির্যাতন করা হয়। তার পাপের বোঝা এতো ভারি হয়ে গেছে যে তিনি ভয়ে ভোট চাইতে মানুষের কাছে যেতে চাইছে না। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার নিজ বাসায় ভোলা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম লিখিত অভিযোগে বলেন, তিনি গত ১৬ ডিসেম্বর এলাকায় আসার পর তার নোকর্মীদের মাধরধর করা হয়েছে। বাসা বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। তার বাসায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। বাসার কাজের ছেলেক মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজেই অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। ২টি মামলায় ৭০০ নোকর্মীদের নামে মামলা করা হয়েছে। ২০০ নেতাকমীদের আটক করা হয়েছে। ভোলা রিটানিং অফিসারের কাছে ২৩টি অভিযোগ লিখিত দিলেও তিনি ব্যবস্থা নেয়নি বলে তিনি দাবী করেন। তিনি ৩০ ডিসেম্বর বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। বোরহানউদ্দিন থানার ওসি অসীম সিকদার সাংবাদিকদের জানান, ৭ জন পুলিশ হাফিজ ইব্রাহিমের বাড়িতে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গণসংযোগে গেলে এক দুই জন পুলিশ পাবেন। কিন্তু উনি তো বাড়ি থেকেই বের হন না। তার অভিযোগ সত্য নয়। ভোলা জেলা রিটানিং অফিসার মাসুদ আলম ছিদ্দিক সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি দেখছি।