২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রথমবারের মতো এ ক্যাটাগরিতে বিডি অটোকার

প্রথমবারের মতো এ ক্যাটাগরিতে বিডি অটোকার
  • প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার আশাবাদ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি অটোকার লিমিটেড ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উঠে এসেছে। ফলে কোম্পানিটি এখনও জাঙ্ক থেকে বের হয়ে আসছে। কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির পর প্রথমবারে মতো এ ক্যাটাগরিতে উঠে এলো। আস্তে আস্তে এটি বিনিয়োগকারীদের লোভনীয় কোম্পানিতে পরিণত হচ্ছে।

সূত্র জানায়, সমাপ্ত ২০১৮ অর্থবছরে কোম্পানিটি ৩ শতাংশ নগদ ও ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়ে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উঠে এসেছে। আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে পুঁজিবাজারে।

উল্লেখ্য, বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ক্যাটাগরি পরিবর্তনের ৩০ দিনের মধ্যে কোম্পানিটিকে কোনো ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে না।

জানা গেছে, প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটির ১৯৮৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ১৯৭৯ সালে ১ আগস্ট যাত্রা শুরু করা কোম্পানিটির প্রথম দিকে থ্রি হুইলার উৎপাদন করতো। কিন্তু সরকারী বিধি বাধ্যকতার কারণে এই কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে থ্রি হুইলার উৎপাদন বন্ধ করে। বর্তমানে কোম্পানিটির সিএনজি কর্নভারশন এবং সিএনজি রিফু্যূইয়েলিং স্টেশন রয়েছে। এটির পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে।

কোম্পানিটির নির্ভরশীল সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটি আগামী বছরেও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখবে। একইসঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণে রাইট শেয়ার ছাড়বে। কোম্পানিটি প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের ভাল লভ্যাংশ প্রদানের চেষ্টায় থাকবে। বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুরাদ জানান, চলতি বছরের ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে। লভ্যাংশের হার আরও আগামীতে ঈর্ষনীয় হবে। নতুন ব্যবসার জন্য রাইট শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহেরও কথা জানান তিনি।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবারে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ২০.৪০ টাকা। অর্থাৎ আগের দিনের চেয়ে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৬.৭১ শতাংশ। সারাদিনে কোম্পানিটির মোট ৯৪ হাজার ৮৩২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দিনশেষে কোম্পানিটির সমন্বয় মূল্য দাঁড়ায় ৩২২ টাকা।

গত বছরে কোম্পানিটির সর্বনি¤œ দর ছিল ১০৫.২০ টাকা। সর্বোচ্চ দর ছিল ৪৯০.৫০ টাকা। কোম্পানিটির আগের তুলনায় মুনাফা ও লভ্যাংশ বাড়ার কারণে একপর্যায়ে ডিএসইতে অন্যতম আকর্ষণীয় শেয়ারের পরিনত হয়েছিল।

জুন-সেপ্টেম্বর প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির অনীরিক্ষত প্রতিবেদন অনুসারে শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ০.৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.১৭ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৩০০ শতাংশ।

একইভাবে ২০১৬ সালে কোম্পানিটি দীর্ঘদিন পর লভ্যাংশ প্রদান শুরু করে। ২০১৭ সালেও আগের বছরের মতো ৩ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে কোম্পানিটি ৩ শতাংশ নগদ ও ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ১৯৮৮ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে মোট ৩৬.৯৬ শতাংশ, ১২.৩৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং ৫০.৩৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে।