১৯ জানুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান ক্যাথলিক চার্চের

  • যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ কয়েক দেশের উদ্বেগ

কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধীদলীয় নেতা ফেলিক্স শিসেকেদিকে জয়ী ঘোষণা করে দেয়া নির্বাচন কমিশনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির ক্যাথলিক চার্চ। গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে চার্চটির ৪০ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক কাজ করেছেন। কেন্দ্রভিত্তিক ফলে ফেলিক্স নয় মার্টিন ফায়ুলুর বিজয়ী হয়েছেন বলে দাবি তাদের। এদিকে নির্বাচনের ফল নিয়ে সন্দেহ জানিয়েছে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম। ফল আমাদের প্রত্যাশার বিপরীত হয়েছে, বলেছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ দ্রিয়ান। কঙ্গোর নির্বাচনী ফল নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাজ্যও। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, তারা ভোট গণনা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে তার ব্যাখ্যা চায়। ইয়াহু নিউজ।

নির্বাচন কমিশনের ফল নিয়ে এ সন্দেহ-উদ্বেগ স্বাধীনতার ৫৯ বছর পর দেশটিতে প্রথমবার গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জোসেফ কাবিলা এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তার দ্বিতীয় দফার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় দুই বছর আগেই এ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ভোটার নিবন্ধনে সময় লাগার অজুহাতে কমিশন নির্বাচনটি ২০১৮-র ডিসেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়। নির্বাচনের পর ফল গণনায় দেরি নিয়েও বিরোধীরা একের পর এক অভিযোগ এনেছিল। পরে বৃহস্পতিবার দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইউনিয়ন ফর ডেমোক্র্যাসি এ্যান্ড সোশ্যাল প্রোগ্রেস দলের নেতা শিসেকেদিকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। কমিশন জানায়, ৬৪ লাখের মতো ভোট পাওয়া ফায়ুলুর চেয়ে সামান্য বেশি ভোট পেয়ে শিসেকেদি জয়ী হয়েছেন। আর কাবিলা সমর্থিত শাদারি পেয়েছেন মাত্র ৪৪ লাখ ভোট। ফায়ুলুর সমর্থকরা বলছেন, শাদারিকে জয়ী করতে না পেরেই শিসেকেদির সঙ্গে গোপন আঁতাত হয় কাবিলার। যার ফলে নির্বাচনী ফল নিয়ে এ জালিয়াতি ও ‘অভ্যুত্থান’। ফলের বিরুদ্ধে ফায়ুলু সাংবিধানিক আদালতে মামলা করতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে। কঙ্গোর সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব থাকা ক্যাথলিক চার্চও বলছে, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলের সঙ্গে কেন্দ্রভিত্তিক ফলের মিল নেই।