২৩ জানুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

১৮ জানুয়ারিই শুরু হচ্ছে পেশাদার ফুটবল লীগ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পরও অনেক নাটক হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) ফুটবল শুরু হবে কিনা, এ নিয়ে ছিল সংশয়। অবশেষে সব সংশয় আর নাটকীয়তার অবসান হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত ১৮ জানুয়ারি থেকেই মাঠে গড়াচ্ছে পেশাদার ফুটবল লীগের একাদশতম আসর। তবে আট ভেন্যুতে লীগ হওয়ার কথা থাকলেও শুরুর আগেই কমে গেছে একটি ভেন্যু। শনিবার বাফুফে ভবনে জরুরী সভা শেষে এমনটাই জানিয়েছেন পেশাদার ফুটবল লীগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি। সভা শেষে সালাম মুর্শেদী জানান, ১৮ জানুয়ারিই শুরু হবে লীগ। একমাত্র নোফেল স্পোর্টিং মাঠের সমস্যার জন্য এক সপ্তাহ লীগ পেছাতে বাফুফেকে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তাদের সেই আবদার ধোপে টেকেনি। কারণ অন্য ১২টি ক্লাবই ছিল এর বিপক্ষে। তারা ১৮ জানুয়ারি থেকেই খেলতে রাজি। তাই নির্ধারিত সময়েই শুরু হতে যাচ্ছে লীগ।

তবে আট ভেন্যুতে খেলা হচ্ছে না। কমে গেছে দুটি ভেন্যু। একটি হলো ফরিদপুর অন্যটি চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়াম। সেখানে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হচ্ছে। চলবে একমাস। তাই হোম ভেন্যু হিসেবে ফরিদপুর ব্যবহার করতে পারছে না শেখ জামাল ধানমন্ডি। তারা হোম ভেন্যু হিসেবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামকেই ব্যবহার করবে। লীগ দ্রুততম সময়ে শেষ করার জন্য সপ্তাহে চারদিন ম্যাচ হবে। তবে তাতেও লীগ শেষ হবে মধ্য জুনে। অর্থাৎ যে বর্ষা মৌসুম এড়াতে এত পরিকল্পনা সেই বর্ষাতে খেলতেই হচ্ছে। এবারের লীগে পয়েন্ট টেবিলের সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা দু’টি দল নেমে যাবে নিচের সারির লীগ বিসিএলে। আর সেখান থেকে একটি দল উন্নীত হবে প্রিমিয়ার লীগে। তার মানে আগামী মৌসুমে ১৩ দল থেকে কমে গিয়ে সেই ১২ দলই খেলবে লীগে।

যেহেতু লীগের মাঝে এএফসি অনুর্ধ ২৩ দলের ম্যাচ আছে তাই লীগে খানিকটা বিরতি পড়বে। এছাড়া বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেছিলেন, দুই সপ্তাহ অনুর্ধ ২৩ দলকে অনুশীলন করাতে। তাই সভপতির কথাতেই ওই সময়টুকুও লীগ বন্ধ থাকবে। সব কিছু মিলে দেখা যাচ্ছে বাফুফের নির্ধারিত মধ্য জুনেও লীগ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না। তাই আগস্টে শেষ হবে বলে আশঙ্কা করছে কিছু কিছু ক্লাব। এ বিষয়ে সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘আগামী মৌসুমটা যেন বর্ষা মৌসুমে না পড়ে সেভাবেই আমরা খেলা আয়োজন করব। এবার বর্ষা এড়াতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি।’ আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, স্পন্সর থেকে প্রায় তিন লাখ ডলার পাবে বাফুফে। যা ক্লাবগুলোর মধ্যে ভাগাভাগি করে দিয়ে দেবে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। তাতে দেখা যাচ্ছে, এই মৌসুমে একেকটি ক্লাব পনেরো থেকে বিশ লাখ টাকা পাবে।