২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এই বিজয় আপামর জনগণের : শেখ হাসিনা

এই বিজয় আপামর জনগণের  :   শেখ হাসিনা

অনলাইন রিপোর্টার ॥ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয় শুধু আওয়ামী লীগের নয়, এই বিজয় স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির, আপামর জনগণের। আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে এটা সত্য। যখন দায়িত্ব পেয়েছি, দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই দল মত প্রত্যেকের জন্য কাজ করবো। সবার রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করবো। প্রতিটি নাগরিক আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সকলের তরে, সকলের জন্য। সকলের জন্য কাজ করবো।

শনিবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই বিজয় সমাবেশের আয়োজন করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের রায় নিয়ে আমরা চতুর্থবারের জন্য সরকার গঠন করেছি। আমরা জাতির কাছে দায়বদ্ধ। যে বিশ্বাস নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছেন, সেই আস্থা ও মর্যাদা আমরা রক্ষা করবো। প্রতিটি মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করাই আমাদের অঙ্গিকার। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আমি আমার জীবনকে উৎসর্গ করেছি দেশকে গড়ে তুলতে। কী পেলাম সেটা বড় কথা নয়, কী দিলাম সেটাই বড় কথা। আসুন সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে গড়ে তুলি, বর্তমানকে উৎসর্গ করি ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার পিতা দেশের মানুষের জীবন উন্নত করার জন্য জীবন দিয়েছেন। আমার মা, ভাই, পুরো পরিবার জীবন দিয়েছেন। এদেশের অনেক মানুষ জীবন দিয়েছেন বাংলাদেশের জন্য। আমি এই দেশটাকে গড়ে তুলতে চাই।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচবে তৃনমূল পর্যায়ে মানুষের জীবনকে উন্নত করবো। আমরা দেশকে ক্ষুধামুক্ত করেছি, দারিদ্রমুক্ত করেছি। বাংলাদেশ ২০৪১ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত দেশ হবে।

টানা তৃতীয়বার দেশ পরিচালনা দায়িত্ব আওয়ামী লীগকে দেওয়াই দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘদিন পর স্বতস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। আমি মা-বোন, নারীদের, তরুণ প্রজন্মকে, এদেশের কৃষক-শ্রমিক-কামার-কুমার-তাঁতীসহ সর্বোস্তরের মানুষকে ধন্যবাদ জানাই; যারা আমাদের নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা, যারা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন, যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা নিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনসহ তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। এ বিজয় ধরে রাখতে হবে। বিজয়ী হওয়া সহজ কিন্তু তা ধরে রাখা কঠিন। উন্নয়ন, সুশাসনের মাধ্যমে এ বিজয় ধরে রাখতে হবে।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। বেলা ৩টার দিকে তিনি সমাবেশস্থলে পৌঁছে মঞ্চে সভাপতির আসন গ্রহণ করেন।

এদিনবেলা ১২টার দিকেই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা। তাদের হাতে দেখা যায় নৌকার প্রতিকৃতি, রঙ-বেরঙের বেলুন-ফেস্টুন। নারী কর্মীদের সাজতে দেখা যায় লাল-সবুজ শাড়িতে। পুরুষদের গায়ে লাল-সবুজ টি-শার্ট এবং মাথায় লাল-সবুজেরই ক্যাপ। দুপুর নাগাদ জাতীয় পতাকার রঙিন পোশাকে বর্ণিল হয়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

নির্বাচিত সংবাদ