২২ জানুয়ারী ২০১৯

আন্দোলনে নেমেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকরা

আন্দোলনে নেমেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব  বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকরা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ অস্থিরতা বিরাজ করছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভিন্ন ভিন্ন দাবি নিয়ে কয়েক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে আন্দোলনে নেমেছে চিকিৎসকরা। উচ্চশিক্ষা নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত চিকিৎসকরা। আর নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে আরেক দল চিকিৎসক। সমস্যাসমূহ সমাধানে মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সাব-স্পেশালিটিগুলোর (এমডি/এমএস) ডিগ্রি দেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়(বিএসএমএমইউ)। এফসিপিএস ডিগ্রি অর্জনের পর কেউ এমডি/এমএস কোর্সে ভর্তি হতে চাইলে, সরাসরি ফেইজ বি’তে ভর্তি হতে পারবেন। সাব-স্পেশালিটি কোর্সগুলোতে আগের মতো ফেইজ এ’তে ভর্তি বহাল থাকবে। বর্তমানে বিএসএমএমইউতে যে রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম আছে, তা জেনারেল সাবজেক্ট (ইন্টারনাল মেডিসিন, জেনারেল সার্জারি, অবস অ্যান্ড গাইনি, জেনারেল পিডিয়াট্রিক্স) ছাড়া যথা নিয়মে চলমান থাকবে।

এছাড়া বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) জেনারেল সাবজেক্টগুলোর এফসিপিএস ডিগ্রি দেবে। কোনো সাব-স্পেশালিটিতে বিসিপিএস ডিগ্রি দেবে না। কিন্তু এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এফসিপিএস বা বিসিপিএস প্রদত্ত ফেলোশিপধারী চিকিৎসকরা আন্দোলনে নামেন। তারা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে আন্দোলন করেন। এসব সিদ্ধান্ত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সরে আসার দাবি করা হয়েছে। তা না মানা হলে আরও তীব্র আন্দোলনে যাবে বলে হুমকি দিয়েছেন তারা।

এফসিপিএস ও বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলবে বলে জানিয়েছেন বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। তিনি বলেন, সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি উঠানো হয়। সেখানে একাডেমিক কাউন্সিল এবং সিন্ডিকেট সদস্যরা বর্তমানে যেভাবে চিকিৎসা শিক্ষার উচ্চতর ডিগ্রি দিচ্ছেন, সেভাবে রাখার পক্ষে তিনি মত দেন বলে জানান উপাচার্য। আর চিকিৎসকদের নিয়োগ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, চাকরি প্রার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছেন। তাই তাদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তবে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। ফেব্রুয়ারিজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা রয়েছে। তাই এ মাসে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না।

আগামী ১৫ মার্চ আমরা বুয়েটের হল পেয়েছি, ওইদিন চিকিৎসক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।