২১ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে চায় : কাদের

দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে চায় : কাদের

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর মানুষ বিএনপির আন্দোলনে সাড়া দেবে না। মির্জা ফখরুল দলীয় নেতাকর্মীদের আন্দোলনে নামতে বলেছেন। গত ১০ বছর ধরে তাদের আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি। মির্জা ফখরুলের আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেবে, এটা দুঃস্বপ্নের নাম।

তিনি বলেন, জনগণ শান্তিতে থাকতে চায়। দেশের উন্নয়ন হয়েছে, আরও উন্নয়ন হবে। তাই জনগণ সরকারের কাছে উন্নয়ন চায়। বিএনপির ডাকে আন্দোলনে সাড়া দেয়ার মতো মুডে জনগণ এখন নেই। আর তরুণ প্রজন্মই আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রধান শক্তি।

বুধবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানীর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বিআরটিএ’র অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানি বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন ওবায়দুল কাদের।

মন্ত্রী বলেন, আগের তুলনায় বিআরটিএ অফিসগুলোতে হয়রানি অনেক কমেছে। তারপরও ভেতরে অনেক সমস্যা আছে। এসবও বরদাশত করা হবে না। সচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ পদ্মাসেতুর সপ্তম স্প্যান বসেছে। এর মধ্য দিয়ে সরকারের এ মেগা প্রকল্পটির এক কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা হবে। আর মতিঝিল পর্যন্ত চালু করতে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে আগামী ২৬ জানুয়ারি দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন করে মনোনয়ন দেওয়া হবে। আগের প্রার্থী পুনরায় পাবেন কি-না, এটা সংশ্লিষ্ট মনোনয়ন বোর্ড ঠিক করবে। আশা করি সিটি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। তাছাড়া ওইদিন কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আসনেও উপনির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

আধুনিক যুগোপযোগী সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে বিআরটিএকে ঢেলে সাজানো হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অনিয়মকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। দুর্নীতিমুক্ত বিআরটিএ চাই। বিআরটিএতে এসে মানুষ যেনো হয়রানি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, অতীতে এমনও হয়েছিল, গাড়ি না এনে ফিটনেস পাওয়া যেতো। আমি পুরোপুরি দৃশ্যপট পরিবর্তন চাই। ভেতরে-বাইরে দালালদের দৌরাত্ম কমাতে হবে। ভেতরে যদি যোগসাজশ না থাকে, তাহলে তারা কীভাবে সুযোগ পায়। আমি চাই না, দালালদের কারণে বিআরটিএর দুর্নাম হোক।

বিআরটিএর অসাধু কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, নিজেদের সংশোধন করুন। না হয় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। টোল আদায়ের নামে মেঘনা-গোমতীতে কোনোভাবেই হয়রানি করা যাবে না।

এসময় বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিত সংবাদ