২১ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ছয় বছরে জমানো টাকা শেষ

দেশবরেণ্য গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, প্রয়াত আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল তার গৃহবন্দিত্বের বর্ণনায় বলেন, ‘আমার যত সঞ্চয় ছিল, এই ছয় বছরে সব শেষ। গত মাসে উত্তরায় আমার যে তিন কাঠা জমি ছিল, সেটাও বিক্রি করে দিয়েছি। যেহেতু আমরা অনেক লোক একসঙ্গে থাকি, ছয়জন পুলিশ, ওদের দেখাশোনা করা, খাওয়া-দাওয়া করতে বাবুর্চি লাগে। আমরা বাবা-ছেলে দুই রুমে থাকি। পুলিশ সদস্যরা থাকে ড্রয়িং রুমে। আমি কোনভাবে ৩৫ হাজার টাকা ঘরভাড়া দিয়ে চলছি। সবকিছুর বিল আছে। আমাদের সবার জন্য প্রতিদিন কাঁচাবাজারই লাগে এক হাজার টাকার। মাসে সব মিলিয়ে দেড় লাখ টাকার মতো খরচ হচ্ছে। গান গেয়ে এক কোটি টাকা জমিয়েছিলাম। ছয় বছরে জমানো টাকা শেষ। সম্মানের সঙ্গে যাতে বাঁচতে পারি, তাই জমিটাও বিক্রি করে দিয়েছি, যেন কারও কাছে হাত পাততে না হয়।’ যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দেয়ায় তাঁকে এই দুর্ভোগ পোহাতে হয়।