২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অচীরেই তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি সম্পাদক করা হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অচীরেই তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি সম্পাদক করা হবে :  পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ অচীরেই সমতা, ন্যায়ানুগতা এবং পারস্পরিক ক্ষতি না করার নীতির ভিত্তিতে তিস্তা নদীর পানি বন্টন চুক্তি সম্পাদন করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আলোচনাপূর্বক চূক্তি স্বাক্ষরের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের দিক নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ২০১১ সালে তিস্তা নদীর অন্তবর্তীকালীন পানি বন্টন চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক চূড়ান্ত করা হয়েছে।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর তিস্তা নদীর পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে বিভিন্ন পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে প্রকাশিত যৌথ ইশতেহারে শুকনে মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি স্বল্পতার কারণে দু’দেশের জনদুর্ভোগের কথা অনুধাবন করে জরুরীভিত্তিতে তিস্তা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীতি হওয়া প্রয়োজন মর্মে উল্লেখ রয়েছে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, ঢাকা শহরের পূর্ব পাশ্বে বালু নদী প্রবাহিত। বালু নদী ড্রেজিং করার কোন পরিকল্পনা আপাতত নেই। বালু নদীর দুই তীরে ফোরশোর ল্যান্ডে অবৈধ দখল সনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ এবং জেলা প্রশাসকের সমন্বয়ের মাধ্যমে দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি জানান, ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, বুড়িগঙ্গা নদী, টঙ্গী খালও ধলেশ্বরী নদী প্রবাহিত। এসব নদীর পানি শিল্প কারখানা থেকে নির্গত তরল বর্জ্য, বিষাক্ত রাসায়নিক এবং মানব বর্জ্য দিয়ে দূষিত হয়ে পড়ছে। তিনি জানান, বুড়িগঙ্গা নদীসহ ঢাকা মহানগরীর চারপাশের প্রবহমান নদীগুলোতে শুস্ক মৌসুমে পানি প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ প্রকল্পের অধীন নিউ-ধলেশ্বরী, পুংলী, বংশাই ও তুরাগ নদী খননের মাধ্যমে যমুনা নদী থেকে শুস্ক মৌসুমে ২৪৫ কিউমেক পানি প্রবাহ নিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে ১৪১ কিউমেক প্রবাহ বৃদ্ধি করা হবে। ফলে শুস্ক মৌসুমে বুড়িগঙ্গা নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং পানি দূষণের মাত্রা হ্রাস পাবে।