১৮ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রিয়াঙ্কার রোড শোতে জনতার ঢল

  • সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসব আমেজ

পরনে সবুজ-সাদা চেক কাটা হালকা রঙের সালোয়ার। গলায় জড়ানো ওড়নাটা সামনে ঝোলানো। লক্ষ্নৌ বিমানবন্দরের বাইরে এলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র। পাশে দাদা রাহুল। মুহূর্তে যেন স্লোগানের ঝড় বয়ে গেল চৌধুরি চরণ সিং বিমানবন্দর চত্বরে। চারদিক থেকে ভেসে যাচ্ছে শঙ্খ ধ্বনিতে। উড়ে আসছে ফুলের পাপড়ি। কিছুক্ষণের মধ্যেই লক্ষ্নৌ বিমানবন্দর থেকে বিশেষ বাসের ছাদে সওয়ার হয়ে রোড শো শুরু করলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তাকে পূর্ব-উত্তর প্রদেশের দায়িত্ব দিয়েছে দল। সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেয়ার পর এই প্রথম উত্তর প্রদেশে এলেন প্রিয়াঙ্কা। বিশাল রোড শো দিয়েই তিনি ঢুকে পড়লেন লোকসভা ভোটের ময়দানে। খবর আনন্দবাজারের।

প্রিয়াঙ্কা আসবেন লক্ষ্নৌয়ে। প্রায় ৩০ কিলোমিটার রোড শো করবেন। রবিবার রাত থেকেই তাই গোটা পথটাই মুড়ে ফেলা হয়েছিল ব্যানার আর ফেস্টুনে। যে পথে রোড শো করবেন প্রিয়াঙ্কা, সোমবার সকালে তিনি পৌঁছানোর অনেক আগে থেকেই কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন সেই সব রাস্তায়। কারও হাতে পোস্টার। কারও হাতে ফুল। কারও হাতে শঙ্খ। মহিলারা উলুধ্বনি দিচ্ছেন। কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও একটা উৎসবের আমেজ। বেলা একটা নাগাদ প্রিয়াঙ্কা বিমানবন্দর থেকে বাইরে বেরিয়ে বিশেষ একটি বাসের ছাদে ওঠেন। সঙ্গে রাহুল গান্ধী, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, রাজ বাব্বরসহ অনেকেই। শুরু করলেন রোড শো। নিরাপত্তার জন্য সাদা সেই বাসের ছাদটা ঘেরা রেলিং দিয়ে। সেই ঘেরোটোপের মধ্যে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের দিকে হাত নাড়লেন প্রিয়াঙ্কা, কখনও জোড় হাতে প্রণাম জানালেন।

বাকিরাও বাসের ছাদ থেকে হাত নাড়তে থাকেন। বাসের সামনে-পেছনে লাখ লাখ মানুষ পদযাত্রায় অংশ নিয়েছেন। জনতার ভিড় থেকে আসছে নানা স্লোগান। চলছে পুষ্পবৃষ্টি। বাসের সামনে গোলাপি জামা পরে এগিয়ে যাচ্ছে ‘প্রিয়াঙ্কা সেনা’র ৫০০ সদস্য। তাদের জামায় প্রিয়াঙ্কার ছবি, হিন্দিতে লেখা, ‘দেশের সম্মানে প্রিয়ঙ্কাজি ময়দানে, মন দেব, সম্মান দেব, প্রয়োজনে দেব জীবনও’। রবিবার কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে একটি অডিও বার্তায় নতুন রাজনীতি শুরু করার ডাক দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। ওই বার্তায় তিনি বলেন, ‘নমস্কার আমি প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ভদ্র। আগামীকাল লখনউ আসছি। সবাই মিলে এক নয়া রাজনীতি সূচনা করব আমরা। এমন এক রাজনীতি, যেখানে আপনিও হবেন তার অংশীদার। আমার যুব বন্ধুরা, আমার বোনেরা এবং সবচেয়ে দুর্বল মানুষ- এখানে সকলের কথা শোনা হবে।’

নির্বাচিত সংবাদ