১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

ফের পোল্ট্রি মিডিয়া এ্যাওয়ার্ড পেলেন জনকণ্ঠের রিপোর্টার রহিম শেখ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দ্বিতীয়বারের মতো পোল্ট্রি মিডিয়া এ্যাওয়ার্ড ২০১৮ পেলেন দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার রহিম শেখ। সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশে পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে তাকে প্রথম পুরস্কারের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক। পোল্ট্রি খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনা ও ডিমের সিন্ডিকেট নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্য তিনি এ এ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

এবার ১৯ জন গণমাধ্যমকর্মীকে ‘পোল্ট্রি মিডিয়া এ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)। এদের মধ্যে পাঁচ ক্যাটাগরিতে নয়জনকে এবং ১০ জন প্রতিবেদককে ‘রাইজিং পোল্ট্রি রিপোর্টার্স’ পুরস্কার দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম মুকুল, একুশে টেলিভিশনের এডিটর ইন চিফ মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল এবং যমুনা টেলিভিশনের বিজনেস এডিটর, সাজ্জাদ আলম খান তপু, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এ্যাসোসিয়েশনের (ফিআব) সভাপতি এহতেশাম বি. শাহজাহান, ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স এ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখার (ওয়াপসা-বিবি) সভাপতি শামসুল আরেফিন খালেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) সভাপতি মসিউর রহমান। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে ১৯৮০ সাল থেকে পোল্ট্রি শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। ধীরে ধীরে সমস্যা সম্ভাবনার মধ্য দিয়ে আজ একটা প্রতিষ্ঠিত জায়গায় এসে পৌঁছেছে। যখনই এ শিল্পের বিষয়ে গণমাধ্যমে কোন অসঙ্গতি প্রকাশ পায়, তখনই আমরা সংশোধনের সুযোগ পাই।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই পোল্ট্রি শিল্পের বিষয়ে গণমাধ্যমের আগ্রহ থাকাটা স্বাভাবিক। পোল্ট্রি এখন আপামর মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে নি¤œ-আয়ের মানুষ সকলেরই খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করছে ডিম ও মুরগির মাংস। ফ্রায়েড চিকেন, নাগেট, সসেজ, সালামি, ললিপপ প্রভৃতি খাবারগুলো এখন শুধু ঢাকার বাজারেই সীমাবদ্ধ নেই বরং সারাদেশেই পাওয়া যাচ্ছে। তারা বলেন, আগামীতে পোল্ট্রির আরও নতুন নতুন ভ্যালু-এ্যাডেড প্রোডাক্ট বাজারে আসবে। পুষ্টি চাহিদা পূরণ কিংবা রসনা তৃপ্তিই শুধু নয় পোল্ট্রি পণ্যকে অধিকতর নিরাপদ করা এবং রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের কাজও করছেন উদ্যোক্তা ও খামারিরা।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডাঃ হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক বলেন, প্রোটিনের বড় যোগানদাতা এখন পোল্ট্রি। শুধু দেশেই নয় সারা পৃথিবীজুড়েই ডিম ও মুরগির মাংসের চাহিদা বাড়ছে। ডিম নিয়ে বিস্তর গবেষণাও হচ্ছে। ভিটামিন এবং ওমেগা ফ্যাটি এসিডের চাহিদা পূরণ থেকে শুরু করে ওজন কমানো, টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ এমনকি ক্যান্সারের ওষুধ হিসেবেও ডিমকে কাজ লাগানোর চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। স্বল্পতম সময়ে যেন রফতানি শুরু করা যায় সে চেষ্টাও করা হচ্ছে।