২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাল্যবিয়ে ॥ কনের চাচার ছয় মাসের কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ বাল্যবিয়ে দেয়ার আয়োজন করায় কনের চাচাকে আটক করে রবিবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকালে দ-প্রাপ্ত ফরিদকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। ঘটনাটি জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার পূর্ব সুজনকাঠি গ্রামের।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা জানান, ওই গ্রামের ফিরোজ সরদারের ১৪ বছরের কিশোরী কন্যা রুপা আক্তারের বাল্যবিয়ে ঠিক করেন তার (রুপা) চাচা ফরিদ সরদার। শনিবার রাতে স্থানীয় ইমাম জামাল সরদার শরীয়াহ অনুযায়ী বিয়ে পরান। রবিবার রুপাকে স্বামীর বাড়িতে তুলে দিতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তার চাচা ফরিদ সরদার। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানতে পেরে তাকে (সুশান্ত বালা) থানা পুলিশসহ ঘটনাস্থলে পাঠান। খবর পেয়ে বর পক্ষের লোকজন বিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে রুপার চাচা ফরিদ সরদারকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ওইদিন রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস আটক রুপার চাচা ফরিদকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ-ের আদেশ প্রদান করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে জাল সার্টিফিকেটধারী প্রভাষক বরখাস্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও, ১১ ফেব্রুয়ারি ॥ বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস না করে জাল সনদে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক পদে চাকরি করায় আতিকুর রহমান নামে কলেজের ইংরেজী বিষয়ের এক প্রভাষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার ওই কলেজের পরিচালনা কমিটির সভায় সিদ্ধান্তক্রমে তাকে চাকরি হতে বরখাস্তপত্র দেয়া হয়।

জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ নবেম্বর রুহিয়া ডিগ্রী কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা (বিএম) বিভাগের ইংরেজী প্রভাষক পদে আতিকুর রহমান নিয়োগপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি ১১ হাজার টাকা বেতন স্কেলে এমপিওভুক্ত হন এবং সরকারী অর্থ ভোগ করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ১ জুলাই হতে উন্নীত স্কেলে ২২ হাজার ১শ’ ৮০ স্কেলে বেতনপ্রাপ্ত হন। এদিকে ২০১৫ সালের ২০ মে রুহিয়া ও নিরীক্ষা দফতরের যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার ও অডিটর মাহমুদুল হক ডিগ্রী কলেজ পরিদর্শন করেন। ওই নিরীক্ষায় কলেজের বিএম শাখার ইংরেজী প্রভাষক আতিকুর রহমানের দাখিলকৃত বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সনদপত্র (৯ম বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পাসের সনÑ২০০৯, বিষয়- ইংরেজী) জাল বলে ধরা পড়ে।

অর্থ আত্মসাতের দায়ে কেসিসি কর্মচারীর কারাদ-

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ অর্থ আত্মসাত মামলায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মচারী আমিরুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদ-, ৯লাখ ২৫ হাজার ৪৫৩ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদ- প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আসামিকে ৫বছরের সশ্রম কারাদ-, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। সোমবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এস এম আবদুস ছালাম এ রায় ঘোষণা করেন। দুদকের আইনজীবী সেলিম আল আজাদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কেসিসির প্রায় ১০লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২০১০ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চার্জশীট দেয়। জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ কেসিসির তৎকালীন রাজস্ব কর্মকর্তা এসকেএম তাছাদুজ্জামান বাদী হয়ে আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় ১০ লাখ ২৩ হাজার ৮০৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

নির্বাচিত সংবাদ