২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাণীনগরে ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজটি আড়াই বছরেও মেরামত হয়নি

রাণীনগরে ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজটি আড়াই বছরেও মেরামত হয়নি

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ ॥ নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের শ্রীমতখালী খালের ওপর নির্মিত ব্রিজটির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ব্রিজটি নির্মাণে নিম্নমানের কাজ করায় কিছু দিনের মাথায় তা ভেঙ্গে যায়। এরপর দীর্ঘ আড়াই বছর অতিবাহিত হলেও ব্রিজটি এখনো পূর্ণনির্মাণ করা হয়নি। এখন ওই এলাকার মানুষের ব্রিজ নয়, বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারা-পার হতে হয় প্রতিদিন। এতে চরম দুর্ভোগে রয়েছে ওই এলাকার প্রায় ১৬টি গ্রামের মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজটির কাজের প্রথম থেকেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার স্থানীয় এলজিইডি অফিসের সঙ্গে জোগসাজগ করে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ব্রিজটি নির্মান করায় তা কিছু দিনের মধ্যেই ভেঙ্গে পরে। এতে ব্রিজ নির্মান বরাদ্দের অর্থ খালে ডুবে যায়। অন্যদিকে ওই স্থানে গড়ে ওঠা বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে প্রতিদিনই ইজারাদারকে টাকা দিতে হচ্ছে পথচারীদের। এতে অর্থনৈতিক ক্ষতি ও মালামাল পরিবহনে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসি।

জানা গেছে, বান্দাইখাড়া থেকে মিরাট বিলের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা রাস্তাটি নওগাঁ জেলা সদরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। খাল খননের পর থেকেই মিরাট ইউনিয়নের মিরাট রাস্তার শ্রীমতখালি খালের ওপর হামিদপুর নামকস্থানে বাঁশের সাঁকো দিয়ে এক সময়ের অবহেলিত ও দূর্গম এলাকা খ্যাত প্রায় ১৬ টি গ্রামের মানুষ চরম দূর্ভোগে চলাচল করতো। এতে উৎপাদিত ফসল সময় মতো বাজারে বিক্রি এবং মালামাল পরিবহন করতে না পারায় ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে চরম দূর্ভোগে জীবন যাপন করতো এলাকাবাসি। ওই এলাকার মানুষের চলাচল ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাণীনগর উপজেলা এলজিইডির আওতায় গত ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে সেখানে একটি ব্রিজ নির্মানের জন্য টেন্ডার দেয়া হয়। টেন্ডারে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়ে ব্রিজ নির্মান কাজ শুরু করে। এর পর ব্রিজ নির্মান কাজ শেষে নির্ধারিত সময় পর সাটারিং খুলে দিলে মাত্র কিছু দিনের মাথায় ব্রিজের মাঝের পিলার ডেবে গিয়ে ব্রিজটি ভেঙ্গে পরে যায়।

এ ব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মোঃ শাইদুর রহমান মিঞা বলেন, ব্রিজটি নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। আশা করছি আগামী জুন মাসের মধ্যে ব্রিজটির নির্মাণ করা সম্পন্ন হবে।