২০ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গ্রাহক ৩৫ হাজার, বিল নেন মাত্র একজন

গ্রাহক ৩৫ হাজার, বিল নেন মাত্র একজন

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন হিলি সাব জোনাল এলাকায় গ্রাহক সংখ্যা ৩৪ হাজার ৯৫১ জন। আর বিদ্যুৎ বিল নেওয়ার জন্য ক্যাশিয়ার মাত্র একজন। ফলে বিল দিতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয় গ্রাহকদের। কখনও কখনও বিল না দিয়ে ফিরে যান তারা।

হিলি সাব জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, ক্যাশিয়ার একজন হওয়ায় বিল দিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গ্রাহকদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। মাঝে মধ্যে এ নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে বাকবিতন্ডাও হয়। বিড়ম্বনার বিষয়টি স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাকে জানালেও, তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, বিকাশ ও টেলিটকের মাধম্যে বিদুৎ বিল পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সেভাবে এর প্রচার না থাকায় অনেকেই বিষয়টি জানেন না। পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক ইজিবাইক চালক আছলাম হোসেন বলেন, ‘গত মাসে বিল দিতে গিয়ে বিপদে পড়েছিলাম। খুব ভিড় থাকায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তারপরও বিল দিতে পারিনি। এ মাসে একসঙ্গে দু’টি বিল দিতে হচ্ছে, সেইসঙ্গে ফাইনও। যা আমার মতো গরিব মানুষের জন্য কষ্টকর ব্যাপার।’

আরেক গ্রাহক সুজন হোসেন বলেন, ‘বিল পাওয়ায় সঙ্গে সঙ্গেই বিল দিতে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যাই। কিন্তু সেখানে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। মাঠের কাজ রেখে বিল দিতে গিয়ে সেখানে যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, সেটা আমাদের জন্য কষ্টকর। এখানে এত মানুষ বিল দিতে আসেন, কিন্তু ক্যাশিয়ার মাত্র একজন। যদি আর একজন ক্যাশিয়ার থাকতো তবে আমাদের ভোগান্তি কিছুটা লাঘব হতো। এছাড়া এখানে দাঁড়ানোর জায়গাও নেই। ফলে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষা করতে হয়।’

হিলি সাব-জোনাল অফিসের এজিএম প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, ‘গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে আমরা আরও একজন ক্যাশিয়ার নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করি খুব শিগগিরই আরও একজন ক্যাশিয়ার পাবো। সেক্ষেত্রে এই সমস্যা অনেকটা কেটে যাবে।’