১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

আধুনিক ঢাকা গড়ার প্রতিশ্রুতি, নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা আতিকুলের

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সুস্থ, সচল আধুনিক ঢাকা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন ঢাকা উত্তর সিটির উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত হোটেল লেকশোর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘সবাই মিলে সবার ঢাকা’ শিরোনামের এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এ সময় আতিকুল ইসলাম বলেন, নগরবাসীর সঙ্গ নিয়ে নগরীর সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে। ঢাকা শুধু আমার শহর নয়, আপনারও। সবাই একটু সচেতন ও দায়িত্ববান হলে নাগরিক ও প্রশাসন একতাবদ্ধ হয়ে একটি সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব।

তফসিল অনুযায়ী আগমী ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ নির্বাচনে প্রার্থীরা গত সোমবার থেকেই নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যবসায়ী সংগঠন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম। সোমবার দুটি মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি নির্বাচনী প্রচারে নেমেছেন। প্রচারের দ্বিতীয় দিনে নির্বাচনী ইশতেহারের নানা প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সবাই যে যার জায়গা থেকে ন্যূনতম করণীয় পালন করে গেলে সত্যিকার অর্থে কাক্সিক্ষত আধুনিক, গতিময় নগরী গড়ে তুলতে পারব। মেয়র নির্বাচিত হলে নিজের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্বের আওতায় যে কোন সমস্যা জানানোর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান হবে।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা শুধু আমার শহর নয়, এ শহর আপনার ও আপনাদের। আমাদের সামান্য সচেতনতা এবং একটু সহযোগিতা এই নগরের প্রাপ্য। ইশতেহার বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি জানি ইশতেহারের বিষয়গুলো বলা যতটা সহজ, বাস্তবায়ন করা ততটাই কঠিন। একনিষ্ঠ এবং আত্মবিশ্বাসী, নির্বাচিত হলে আমার সাধ্যের পুরোটা ঢেলে দেব লক্ষ্য অর্জনে। বিশ্বাস করি ঢাকাকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে যে অভিজ্ঞতা, মূল্যবোধ, দূরদৃষ্টি এবং ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা দরকার তা আমার রয়েছে।

আতিকুল ইসলামের ঘোষিত ইশতেহারে বিষয়সূচীর মধ্যে পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময়কালে শুরু করা প্রকল্প এগিয়ে নিতে গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ইশতেহারে প্রাধান্য পেয়েছে লাখো ঢাকাবাসীর জন্য শহরকে বসবাসযোগ্য করে গড়ে তোলার বিশদ পরিকল্পনা। এর মধ্যে মশা নিধন, বিশুদ্ধ বাতাস ফিরিয়ে আনা, খেলাধুলা ও অন্যান্য গঠনমূলক কর্মকা-ের জন্য নতুন পার্ক ও মাঠ তৈরি করা ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বহুতল ভূগর্ভস্থ পার্কিং কমপ্লেক্স নির্মাণ। এছাড়াও ডিজিটাল উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে ট্রাফিক সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, এ্যাপের মাধ্যমে নাগরিক সমস্যার সরাসরি গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধান করা, সকল প্রকার নগর পরিবহন ব্যবস্থার মধ্যে একটি ডিজিটাল, সমন্বিত ই-টিকেটিং সেবা চালু করা প্রভৃতি।