১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি বন্ধ করলেও রফতানিতে প্রভাব পড়ছে না বাণিজ্যমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানিকৃত পণ্যের ৯০ ভাগের বেশি হচ্ছে টেক্সটাইল ও এ্যাপারেল পণ্য। উক্ত পণ্য কখনও জিএসপি সুবিধার আওতাভুক্ত ছিল না। তাই যেসব পণ্যে জিএসপি সুবিধা পাওয়া যেত এখন তা বন্ধ করে দিলেও খুব একটা মেটার করে না। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শর্তাদি বাস্তবায়নের পরও যুক্তরাষ্ট্র প্রদত্ত জিএসপি ফেরত না পওয়ার কোন সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান ও বিরোধী দল জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

মন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশী কিছু পণ্যের জিএসপি সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। এ নিয়ে গত কয়েক বছর নানা চেষ্টা করেও সেই সুবিধা পুনঃবহাল করতে পারেনি বাংলাদেশ। আমরা তাদের ১৬টি শর্ত পূরণ করেছি এবং কিছু বাকি থাকলে সেটাও করব। কিন্তু তাতেও জিএসপি সুবিধা ফেরত পাব কি না সেটা তাদের কাছে জানতে চেয়েছি। তবে যেসব পণ্যে জিএসপি সুবিধা পেতাম তাতে জিএসপি বন্ধ হওয়ায় খুব একটা মেটার করে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যা রফতানি হয় তার ৯০ ভাগই হচ্ছে তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে জিএসপির কোন প্রভাব পড়ছে না। প্রভাব পড়ছে অন্যকিছু আইটেমের উপরে, যেটা খুব বেশি প্রভাব পড়ছে না। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের হাই কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছি, আবারও সেই প্রশ্ন তুলেছি আমরা ১৬টা শর্ত পূরণ করেছি বা যেগুলো বাকি আছে সেটা তো আমরা করব, কিন্তু তারপরেও কি সিদ্ধান্তটা আসবে? আমি জানতে চেয়েছি। আসলে বিষয়টা রাজনীতির কি না? যাই হোক আমরা কথা বার্তা চালাব।