২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কিং ব্যাক মোনেম মুন্নার চতুর্দশ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ মঙ্গলবার ছিল ‘কিং ব্যাক’ খ্যাত প্রখ্যাত ফুটবলার মোনেম মুন্নার চতুর্দশ মৃত্যুবার্ষিকী। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ ও তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেছে।

২০০৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৩৯ বছর বয়সে কিংবদন্তি মুন্না সবাইকে অশ্রুজলে ভাসিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে। এত অল্পবয়সে তার চিরবিদায়ে ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছিল বিষাদের ছায়া। ২০০০ সালের প্রারম্ভে হঠাৎ করেই কিডনি ফেল করলে ডাক্তাররা দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দেন। ওই বছরের মার্চে ভারতের ব্যাঙ্গালোর থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় তার শরীরে। মুন্নার বড় বোন শামসুননাহার আইভী তাকে একটি কিডনি দান করেন। এরপর টানা পাঁচ বছর ভাল থাকলেও ২০০৫ সালে মুন্না আবারও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবশেষে চিরকালের জন্য তিনি বিদায় নেন।

ফুটবলামোদীদের কাছে মুন্না নামটি এখনও অন্যরকম এক চমকের ব্যাপার। তিনি শুধু বাংলাদেশ নয়, ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ারই অন্যতম সেরা ফুটবলার। স্টপার পজিশনে খেলেও যিনি সর্বসাধারণের মাঝে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। মাঠে শুধু চোখ ধাঁধানো নৈপুণ্য নয়, দক্ষ নেতৃত্ব এবং ফুটবলে দুর্দান্ত পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করে রীতিমতো ‘ফুটবল আইকনে’ পরিণত হয়েছিলেন। আর এ কারণেই ‘কিং ব্যাক’ উপাধি তার জন্য ছিল অবধারিত। ঢাকার মাঠের সবচেয়ে দামী ফুটবলারও ছিলেন তিনি। ’৮০-’৮১ সালে পাইওনিয়ার লীগে নাম লেখানোর মধ্যে দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে অভিষেক ঘটেছিল মুন্নার। এরপর খেলেছেন শান্তিনগর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও আবাহনী ক্রীড়াচক্রে। আবাহনীর হয়েই ক্যারিয়ার শেষ করেন। আবাহনীর হয়ে তিনি পাঁচটি লীগ এবং তিনটি ফেডারশন কাপের শিরোপা জেতেন। ফুটবল খেলা ছাড়লেও আবাহনীর কর্মকর্তা-ম্যানেজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন আমৃত্যু। আবাহনী মাঠেই তার শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

কলকাতা ফুটবল লীগে ইস্ট বেঙ্গলেও ১৯৯১ ও ১৯৯৩ সালে খেলে দারুণভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন মুন্না। এই ক্লাবে মুন্না লিবারো পজিশনে খেলে দারুণ আলোড়ন তোলেন। জাতীয় দলের হয়ে মুন্না ১৯৮৬-৯৭ সাল পর্যন্ত খেলেন। ’৯৫ সালে তারই নেতৃত্বে মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত চার জাতি কাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের বাইরে প্রথম কোন ট্রফি জেতে বাংলাদেশ।

প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের পিরোজপুর জেলায় শিরোপা জিতেছে পিরোজপুর সরকারী হাইস্কুল। মঙ্গলবার ফাইনালে টাউন হাইস্কুলকে ১২০ রানে হারিয়েছে তারা।

পিরোজপুর জেলা স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০৩ রান করে পিরোজপুর সরকারী হাইস্কুল। ইনিংসসেরা ৬২ রান করে মিরাজুল। সাইফুল্লাহ ৩০ আর কবিরের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। ২০৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮৩ রানে অলআউট হয় টাউন হাইস্কুল। মিডলঅর্ডারে ফায়জুল ইসলামের ২৮ ছাড়া টাউন হাইস্কুলের আর কেউ বলার মতো স্কোর পায়নি। ৪ রান খরচায় তন্ময় ম-ল নিয়েছে ৪ উইকেট। রাকিবুল আর আমিনুল নেয় সমান ৩টি করে উইকেট। এদিকে বান্দরবান জেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বান্দরবান টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজ। ফাইনালে তারা বান্দরবান সরকারী হাইস্কুলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে।