২৫ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লক্ষ্মীপুররে চাষিরা ব্যস্ত সয়াবিন চাষে

লক্ষ্মীপুররে চাষিরা ব্যস্ত সয়াবিন চাষে

নিজস্ব সংবাদদাতা, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর ॥ ‘সয়াবিনের রাজধানী’ খ্যাত লক্ষ্মীপুর জেলায় বিগত কয়েক বছরগুলোর মতো এবারও সয়াবিনের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। সয়াবিন উৎপাদনে এখানকার মাটি অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এ জেলায় কৃষকরা রবিশষ্য জাতের এ ফলন উৎপাদনে খুব আগ্রহী থাকেন। দেশের সিংহ ভাগ সয়াবিন উৎপাদন করে সয়াবিনের রাজধানী খ্যাতি পাওয়ায় জেলার পরিচিতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এ কারনে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শহরের প্রবেশ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থাপিত সুদৃশ্য গোলচত্বরের নামকরন করা হয়েছে ‘সয়াল্যান্ড’ নামে। এটি জেলার ব্রান্ডিং নাম।

স্থানীয় কৃষিবিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে প্রায় ৯০ হাজার মেট্রিক টন। তবে রবি মৌসুমে ফলন বেশি হয়। যে কারণে রবি মৌসুমে সয়াবিনের আবাদ হয়ে থাকে। ৯৫ থেকে ১১৫ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ করা যায়। হেক্টর প্রতি ১.৫ থেকে ২.৫ টন উৎপাদন হয়ে থাকে। কৃষি অফিসের পরিসংখ্যান মতে জানা যায়, সারাদেশে উৎপাদিত সয়াবিনের সিংহ ভাগ শুধুমাত্র লক্ষ্মীপুর জেলাতেই উৎপাদন হয়।

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া সম্পূর্ণ অনুকূলে থাকায় মৌসুমের শুরু থেকেই কৃষকরা সয়াবিন আবাদে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন। পরিণত সয়াবিন বীজ থেকে শিশুখাদ্য, সয়া দুধ, দই ও পনির, বিস্কুট ও কেকসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার তৈরি হয়ে থাকে। এছাড়াও পোল্ট্রি ও ফিশফিড তৈরি, রং , সাবান এবং প্লাস্টিক মুদ্রণের কালি ইত্যাদি দ্রব্য উৎপাদনের ক্ষেত্রেও সয়াবিন একটি অপরিহার্য উপাদান।

লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ পরিচালক মো. বেলাল হোসেন খান বলেন, “আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের আবাদ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কাঙ্খিত ফলন পেতে কৃষি অফিস ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়ে কাজ করছেন।”