১৯ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝুঁকিপূর্ণ কেমিক্যাল গোডাউনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : সাঈদ খোকন

ঝুঁকিপূর্ণ কেমিক্যাল গোডাউনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : সাঈদ খোকন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ চলতি সপ্তাহেই পুরান ঢাকার কেমিক্যাল গোডাউনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। অভিযানে ঝুঁকিপূর্ণ কেমিক্যাল গোডাউনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

‘ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি ইস্যুজ ইন বাংলাদেশ, চ্যালেঞ্জ অ্যান্ড ওয়ে ফরোয়ার্ড’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর এবং ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ইসাব)।

অনুষ্ঠানে সাঈদ খোকন বলেন, জনবহুল পুরান ঢাকার কেমিক্যাল গোডাউনগুলো একটা বড় সমস্যা। নিমতলি ট্রাজেডির পরই কেমিক্যাল গোডাউনগুলো সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সম্ভব হয়নি। চলতি সপ্তাহেই ঝুঁকিপূর্ণ কেমিক্যাল গোডাউনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালানো হবে। ঝুঁকিপূর্ণ নয় এমন কেমিক্যাল ছাড়া কেউ ব্যবসা করতে পারবেন না।

বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর নাশকতার প্রশ্ন উঠলেও শেষ পর্যন্ত সুরাহা না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কড়াইল বস্তি, গুলশানের সিটি করপোরেশন মার্কেটসহ বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডে পর সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে নাশকতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কিন্তু সেসব ঘটনায় তদন্ত কমিটি কিংবা মামলা হলেও বিষয়গুলোর সুরাহা হয়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণটাও জানা সম্ভব হয়নি। এসব অগ্নিকাণ্ডে ঘটনা যদি ক্রাইম হয়ে থাকে তাহলে আমরা একটা ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা, অনুরোধ বা আহ্বান জানাবো, অন্তত একটি ক্রাইমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হচ্ছে। এগুলোকে আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে বলেও জানান তিনি।

মেয়র বলেন, ঢাকা শহরে হাজারো সমস্যা রয়েছে। তার মধ্যে অগ্নিকাণ্ডের চ্যালেঞ্জগুলো একটা বড় সমস্যা। তবে গত ১০ বছরে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হয়তো আরও কিছু সময় লাগবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সক্ষমতাও বাড়বে।

নগরীর গ্যাস লাইনগুলোতে সেন্সর ইনস্টল করতে পারলে এটা হবে যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক একটা প্রকল্প চলমান রয়েছে। ওই প্রকল্পের প্রায় ৭৫ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সামনের বছর নাগাদ সবাই ওই প্রকল্পের সুফল পাবেন।