১৯ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অনুমোদন পেল আরও তিন ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে যুক্ত হলো আরও তিনটি ব্যাংক। রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় নতুন তিনটি ব্যাংকের জন্য লেটার অব ইনটেন্ট বা সম্মতিপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ব্যাংক তিনটি হচ্ছে- পিপলস ব্যাংক, সিটিজেন ব্যাংক ও বেঙ্গল ব্যাংক। উল্লেখ, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের অনুমোদনের প্রাথমিক কাজ শেষ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আবু ফরাহ মোহাম্মদ নাসের সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনের আগেই বেঙ্গল ব্যাংকের অনুমোদনের ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে ব্যাংকটি। আগের সভায় সামান্য কিছু সমস্যার জন্য পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংকের অনুদোন দেয়া হয়নি। তবে সভায় এই দুই ব্যাংকেরও অনুমোদন নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি বলেন, অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলোর প্রতিটির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হতে হবে ৫শ’ কোটি টাকা। এর আগে নতুন ব্যাংকের জন্য ন্যূনতম মূলধন ৪শ’ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত লাইসেন্স পাওয়া ৫৮টি বেসরকারী ব্যাংকের মধ্যে ৫৭টি কার্যক্রম চালাচ্ছে। সর্বশেষ গত অক্টোবরে চূড়ান্ত অনুমোদন পায় পুলিশ সদস্যদের মালিকানায় ‘কমিউনিটি ব্যাংক অব বাংলাদেশ’। এটি এখনও কার্যক্রম শুরু করেনি। সবমিলে বাংলাদেশর ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়াল ৬২টি। রবিবারের সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ফজলে কবির।

জানা যায়, আলোচিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে ‘বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের’ জন্য আবেদন করেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন। শুরুতে অবশ্য ‘বাংলা ব্যাংক’ নামে অনুমোদনের আবেদন জমা দেয়া হয়েছিল। পরে তা পরিবর্তন করা হয়। বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন নোয়াখালী-২ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম, যিনি আবার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালক। পিপলস ব্যাংক লিমিটেডের জন্য আবেদন করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এমএ কাশেম। চট্টগ্রামের সন্ধীপের এ অধিবাসী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের জন্য ব্যাংকটির আবেদন করা হয়েছে। সিটিজেন ব্যাংকের আবেদনটি এসেছে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পরিবার থেকে। আনিসুল হকের মা জাহানারা হককে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আবেদনপত্রে।