২০ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যাত্রাশিল্পী জাকির হোসেনের এ্যালবাম ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’

যাত্রাশিল্পী জাকির হোসেনের এ্যালবাম ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’

সংস্কৃতি ডেস্ক ॥ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হয়ে তার সংগ্রামী জীবনগাথা গানে গানে ছড়িয়ে দিচ্ছেন যাত্রাশিল্পী জাকির হোসেন। সেই সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন-যুদ্ধ ও নেতৃত্বের সাফল্যও তিনি শোনাচ্ছেন গ্রাম বাংলার হাজার হাজার মানুষের সামনে। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে তিনি আটটি গানের সিডি বের করেছেন। নাম দিয়েছেন ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’। জাকির হোসেনের খুব ইচ্ছা গানগুলো তিনি প্রধানমন্ত্রীকে শোনাবেন। আর তাই বার বার ধর্ণা দিচ্ছেন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে, ছুটে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও। কিন্তু কেউ তাকে সহযোগিতা করছেন না। দুস্থ ও দরিদ্র যাত্রাশিল্পী জাকির হেসেন হতাশায় ভেঙ্গে পড়েছেন এখন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ ধারণ করেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেখা পাচ্ছি না। জাকির হোসেনের সংগঠনের নাম বলাকা শিল্পী গোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীর ব্যানারে গ্রামে গ্রামে তিনি বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনুষ্ঠান করে যাচ্ছেন। কখনও গীতি আলেখ্য, কখনও বা যাত্রাপালাও মঞ্চায়ন করছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে রাজপথে মেয়র হানিফের নেতৃত্বে শতবাধা বিপত্তি সত্ত্বেও জনতার মঞ্চ পরিচালনা করে রেখেছিলেন। এ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর সংগ্রামী জীবন নিয়ে অনেক অনুষ্ঠান করেছেন তিনি। দুষ্কৃতকারীরা তার মঞ্চ ভেঙ্গে দিয়েছিল। এমনকি শিল্পীকুশলীসহ তিনি নির্যাতনের শিকারও হয়েছিলেন।

জাকির হোসেন বলেন, অনেক কষ্টের ভেতর দিয়ে, ধারদেনা করে আমি ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ নামে সিডিটা বের করেছি এ কাজের সঙ্গে আমার অনেক শ্রম ও ঘাম মিশে আছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলে সব দুঃখ-কষ্ট আমার দূর হয়ে যেত। জাকির বিশ্বাস করেন, সিডিতে আটটি গানের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাগরণের যে বাণী দেয়া হয়েছে, সেগুলো শুনলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও খুশি হবে। প্রসঙ্গত, জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২০১৬ সালের ২২ মে এবং ওই বছরের ২৩ নবেম্বর সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। এ বিষয়ে ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র সাঈদ খোকন এবং ২০১৮ সালের ৭ জুলাই তদানীন্তন তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট তারানা হালিমের কাছেও আবেদন করা হয়। কিন্তু কাজ হয়নি। ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা হাবীবুর রহমান মোল্লার সুপারিশ নিয়েও জাকির হোসেন ২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল এবং ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সাক্ষাতের আবেদনপত্র জমা দেন। সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাকে কেবলই আশ্বাস দিয়ে গেছেন। কিন্তু গুরুত্বের সঙ্গে তার আবেদন বিবেচনা করা হয়নি।