১৯ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আবারও চালু হচ্ছে আমিরাতের শ্রমবাজার

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার আবারও চালু হতে যাচ্ছে। ভিসা চালুর ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক কিছু প্রক্রিয়া শেষ হলেই আমিরাতের শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন । খবর ওয়েবসাইটের।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী ও উপ-রাষ্ট্রপতি, দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানী আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মাদ বিন রশিদ আল মাকতুম, আমিরাতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফ বিন জায়েদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহেমদ, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ও প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমিরাতের সফর সফল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর (শেখ হাসিনা) একান্ত প্রচেষ্টার সুফল হিসেবে আমিরাতে আবারও শ্রমবাজার উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। এর আগে আমিরাতের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় আবুধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া দেশটির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সহধর্মিণী শাইখা ফাহিমা বিনতে মুবারক আল কেতবির সঙ্গে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন তিনি।

ফাতিমা বিনতে মুবারকের সঙ্গে বৈঠক ॥ দুবাইয়ের শাসকের সঙ্গে বৈঠকের পর আবুধাবির বাহার প্যালেসে ইউএই’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং আবুধাবির শাসক প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের স্ত্রী শেখ ফাতিমা বিনতে মুবারক আল কেতবির সঙ্গে দেখা করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘ওখানে লম্বা বৈঠক হয়েছে। খুবই উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। ওনাদের তরফ থেকে পরিবারের অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে উনি বাংলাদেশের নারী শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে জানতে চেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশে নারীরা যে এখন ব্যবসা করছে এবং এনজিওতে কাজ করছেন- এটা কিভাবে হলো ও কিভাবে টেকসই হয়েছে এগুলো উনি জানতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে ব্যাখ্যা করেছেন।’ শহীদুল হক বলেন, ‘উনি (ফাতিমা) নিজেও এদেশে নারীর ক্ষমতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি মনে করেন যে, এখানে বাংলাদেশের কাছ থেকে দুবাইয়ের মহিলাদের শেখার অনেক কিছু আছে যে, কিভাবে ইসলামের মধ্যে থেকে কর্মসংস্থান করা যায়।’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ‘খুব স্নেহের সঙ্গে আপ্যায়ন করেছেন’ বলেও জানান তিনি।