২০ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে ফিরলেন সেরেনা

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মা হয়েছিলেন। যে কন্যাশিশুর জন্ম দিয়েছিলেন তার নাম অলিম্পিয়া। এই অলিম্পিয়ার আগমনের জন্য সে বছর জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে আর কোর্টে নামেননি সেরেনা উইলিয়ামস। টেনিসের উন্মুক্ত যুগে ২৩ গ্র্যান্ডস্লাম জেতার রেকর্ড গড়েছিলেন সে সময় দোর্দ- প্রতাপে শীর্ষস্থান ধরে রাখা এ মার্কিন টেনিস তারকা। কিন্তু দীর্ঘ এক বছর কোর্টের বাইরে থেকে অনেক পিছিয়ে পড়েছিলেন। ফেরার পরে কেটে গেছে আরও একটা বছর। অবশেষে ডব্লিউটিএ র‌্যাঙ্কিংয়ে এই লম্বা সময় পর সেরা দশে পৌঁছুতে পেরেছেন ৩৭ বছর বয়সী সেরেনা।

সবমিলিয়ে ৩১৯ সপ্তাহ ডব্লিউটিএ র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে ছিলেন সেরেনা। মাতৃত্বকালীন বিরতিতে যখন কোর্টের বাইরে গেছেন তখনও অন্য যে কারও চেয়ে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই একক আধিপত্যে ধরে রেখেছিলেন সেরা অবস্থানটা। কিন্তু সেই এক বছরে মহিলা টেনিস বিশ্ব অনেক উত্থান-পতন দেখেছে র‌্যাঙ্কিংয়ে। সেরা হয়ে কেউ দীর্ঘ সময় থাকতে পারেননি। অলিম্পিয়া পৃথিবীর আলোয় আসার পর জীবনমৃত্যুর শঙ্কায় ছিলেন তিনি। তাই ফিরতে ফিরতে লেগে গেছে একটা বছর। উল্লেখ্য, র‌্যাঙ্কিং পদ্ধতিতে কেউ ৫২ সপ্তাহ অসুস্থতা বা ইনজুরিতে থাকলে তার রেটিং পয়েন্ট কমে না।

কিন্তু এরপর থেকে পয়েন্ট কমতে থাকে। ফিরেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি বলে আর ৫২ সপ্তাহের কিছু বেশি সময় নিয়ে ফিরেছিলেন বলে র‌্যাঙ্কিংয়ে অনেক পিছিয়ে গিয়েছিলেন। তারপরও সেরেনা ফেরার পর এক বছর পেরিয়ে গেল, এই এক বছরেও র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানে হয়েছে রদবদল। তবে এই কৃষ্ণকন্যা নিজেকে ফিরে পেতে শুরু করেছেন। সর্বশেষ ঘোষিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি উঠে এসেছেন ১০ নম্বরে। মহিলা টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪৯১ নম্বরে নেমে গিয়েছিলেন সেরেনা। তার পয়েন্ট সেভাবে কমেনি। কিন্তু অন্যরা টুর্নামেন্ট খেলেছেন আর নিজেদের পয়েন্ট বাড়িয়েছেন। সে কারণে পিছিয়েছেন সেরেনা। গত বছর অবশ্য দারুণ কিছু মুহূর্ত কেটেছে তার।