২০ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি ২২ ফেব্রুয়ারি ॥ ড. কামাল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনিয়মের ওপর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি কর্মসূচী পূর্বঘোষিত ২৪ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ জোটের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মতিঝিল কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

২২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে গণশুনানি হবে বলেও ড. কামাল হোসেন জানান। তিনি বলেন, গণশুনানিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, আমাদের গণশুনানি ছিল ২৪ তারিখ। তার পরিবর্তে এটি ২২ তারিখ শুক্রবার হবে। সকাল ১০টায় শুরু হয়ে গণশুনানি বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। এটাই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুই দিন কেন এগিয়ে আনা হলো এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, কোথাও জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। যেহেতু আমরা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনটি পেয়েছি ২২ তারিখ, সেজন্য গণশুনানির তারিখ এগিয়ে আনা হয়েছে।

গণশুনানি কর্মসূচী থেকে কী অর্জন করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এমন প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধানে লেখা আছে জনগণ ক্ষমতার মালিক। সেদিন জনগণ জানতে পারবে একাদশ নির্বাচনে কী ঘটেছিল, তার বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রার্থীরা তুলে ধরবেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, গণশুনানিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল বিএনপি, জেএসডি, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এবং নাগরিক ঐক্য ছাড়াও বাম ও গণতান্ত্রিক যেসব দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, দলের নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিক, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, দলের নেতা শহিদুল্লাহ কায়সার, বিকল্পধারার (একাংশ) সভাপতি অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

রাজ্জাকের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ড. কামাল ॥ একাত্তরে স্বাধীনতার বিপক্ষে দাঁড়ানোর জন্য জামায়াতের ক্ষমা না চাওয়াকে কারণ দেখিয়ে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের দল ছাড়ার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক শেষে মতিঝিল কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, জামায়াতের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়কে আমি স্বাগত জানাই। উল্লেখ্য, গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন এবার বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গড়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। নিবন্ধন হারানো জামায়াতের ২২ জনকে এ নির্বাচনে জোট থেকে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ দেয়া হয়।