২০ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বার্ন ইউনিটে আশঙ্কাজনক ৫ জন, তবে নয়জনই ঝুঁকিতে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চকবাজারে অগ্নিদগ্ধ ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৯ জনই ঝুঁকিতে। আশঙ্কাজনক ৯ জনের পাঁচজনই আইসিইউতে। শুক্রবার এ তথ্য দিয়েছেন জাতীয় বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক অধ্যাপক ডাঃ সামন্তলাল সেন। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন দুজন। অগ্নিকান্ডে আহত ৪১ জনকে এ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানে বার্ন ইউনিটে ৯ ও জরুরী বিভাগে দুজন চিকিৎসাধীন ছাড়া বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর চেড়ে দেয়া হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. সামন্তলাল সেন শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের এখানে আছে ৯ রোগী। তাদের একজনও আশঙ্কামুক্ত নন। আমরা সবাইকে আইসিইউতে ট্রান্সফারের চিন্তা করছি। আমরা ইতোমধ্যে পাঁচজনকে ট্রান্সফার করেছি, আর চারজন আছে। আইসিইউতে স্থান সঙ্কটে তাদের এখনও স্থানান্তর করা যায়নি জানিয়ে ডাঃ সামন্ত লাল বলেন, আইসিইউতে অনেক মুমূর্ষু রোগী আছে। যে কয়জনকে শিফট করা যাবে, তাদের শিফট করে আমরা এই রোগীদের প্রাধান্য দেব। রোগীদের অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, বার্ন ইউনিটে প্রথম ৪৮ ঘণ্টায় কিছুই বলা যায় না, কেউ ঝুঁকিমুক্ত নন। কেমিক্যাল বার্ন কোন সময় সুপারফিশিয়াল বার্ন হয় না, হয় ডীপ বার্ন। এসব রোগীর সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।

আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে সোহাগের (২৫) শরীরের ৬০ শতাংশ, রেজাউলের (২১) ৫১ শতাংশ, জাকিরের (৩৫) ৩৫ শতাংশ, মোজাফফরের (৩২) ৩০ শতাংশ ও আনোয়ারের (৫৫) ২৮ শতাংশ পুড়েছে।

আর ওয়ার্ডে থাকা হেলালের (১৮) শরীরের ১৬ শতাংশ, সেলিমের (৪৪) ১৪ শতাংশ, মাহমুদুলের (৫২) ১৩ শতাংশ ও সালাহউদ্দিনের (৪৫) ১০ শতাংশ পুড়েছে।

বুধবার রাতে চকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৬৭ জন পুড়ে মারা যায়। চকবাজারের নন্দকুমার দত্ত রোডের শেষ মাথায় চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের পাশে ৬৪ নম্বর হোল্ডিংয়ের ওয়াহিদ ম্যানশনেই অগ্নিকা-ের সূত্রপাত। আবাসিক ভবনটিতে কেমিক্যাল গোডাউন থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।