২২ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাড়তে শুরু করেছে সবজির দাম

বাড়তে শুরু করেছে সবজির দাম

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নিত্যপণ্যের বাজারে বাড়তে শুরু করেছে সবজির দাম। কমে যাচ্ছে শীতকালীন সবজির সরবরাহ। তবে সেই তুলনায় গ্রীষ্মের সবজির দেখা মিলছে না বাজারে। এ কারণে করলা, বরবটি, পটল, ঢেঁড়স, কাঁচকলা ও পেঁপের মতো সবজি বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, আটার মতো ভোগপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বেড়েছে। দাম বেড়ে আর কমছে না ব্রয়লার মুরগির দাম। এছাড়া গরু ও খাসির মাংস আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। চড়া মাছের বাজার।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, কাপ্তান বাজার ও যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি যেমন করলা, বরবটি ও পটলের মতো সবজি জাত ও মানভেদে ৬০-৮০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে লাউ, শিম, ফুলকপি ও বাধাকপি ও বেগুনের মতো সবজি ৩০-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতের সবজির সরবরাহ কমলেও গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহ বাড়েনি। এ কারণে বাজারে সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে। কাওরান বাজারের সবজি বিক্রেতা খালেক জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারে সবজির সরবরাহ কমে যাচ্ছে। নতুন করে সব ধরনের সবজির সরবরাহ না বাড়লে ভোক্তাদের একটু বাড়তি দাম দিয়ে সবজি কিনতে হবে।

এদিকে, এ চলতি সপ্তায় বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। প্রতিকেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। তবে জাত ও মানভেদে আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকায়।

এছাড়া বাজারে ব্রয়লার মুরগিসহ সব ধরনের মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের মতো বেশি দামে। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা ও লেয়ার মুরগি ২২০-২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশী জাতের প্রতিজোরা মুরগি ৭৫০-৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাকিস্তানী নামে প্রতিজোরা লাল মুরগি ৪৫০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। এছাড়া মাছের বাজারও চড়া। গত কয়েক মাস ধরে বাজারে বেশি দামে সব ধরনের মাছ বিক্রি হচ্ছে। ৮০০ গ্রাম সাইজের প্রতিজোরা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০-১০০০ টাকায়। এছাড়া ছোট সাইজের প্রতিজোরা ইলিশ ৬০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা পর্যায়ে।

এছাড়া রুই মাছ ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০-১২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা দরে কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি গরুর মাংস ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা, এবং খাসীর মাংস প্রতিকেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পুরান ঢাকার কাপ্তান বাজারের মাছ বিক্রেতা আবুল হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারে মাছের ঘাটতি নেই। কিন্তু দামও কমছে না। দেশী জাতীয় শৌল, বোয়াল, কৈ, শিং কাতলা, টেংরা ও পাবদা মাছ আগের মতো বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে, মুদি পণ্যের বাজার স্থিতিশলী রয়েছে। মানভেদে আটা ২৭ থেকে ৩০ টাকা কেজি, সয়াবিন তেল লিটার ৮০ থেকে ৮৪ টাকা, মশুর ডাল কেজি ৬০ থেকে ১১০ টাকা, মুগ ডাল ৯০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিনি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মিনিকেট ও নাজিরশাইলের মতো সরু চাল ৫৪-৬৪, মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা ৪৬-৫৫ এবং মোটা স্বর্ণা ও চায়না ইরি চাল ৩৮-৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।