২২ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নিউজিল্যান্ড শিবিরে জোড়া আঘাত রাহীর

নিউজিল্যান্ড শিবিরে জোড়া আঘাত রাহীর

অনলাইন ডেস্ক ॥ টানা দুই দিন বৃষ্টি হবার কারণে উইকেটে কিছুটা আর্দ্রতা ছিলো। সেই সাথে সবুজ ঘাসতো আছেই। তার উপর আবার নিউজিল্যান্ডের পেস তোপ। সব মিলিয়ে ব্যাট করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সব চ্যালেঞ্জ সামলে তামিম ইকবাল বীরোচিত ইনিংস খেললেন। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ। তার ৭২ রানের ইনিংসের পরও ২১১ রানে অলআউট বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে কিউইদের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ৮ রানেই ফিরে যান টম লাথাম ও জিত রাভাল। দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফিরিয়ে স্বাগতিকদের ধাক্কা দেন আবু জায়েদ রাহী। রস টেইলরকে নিয়ে ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে লড়ছেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। দুই কিউই ব্যাটং স্তম্ভই ১০ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। দলীয় স্কোরবোর্ডে সংগ্রহ ৩৮/২।

দুই দিন বৃষ্টিতে ভেসে গেছে অবশেষে তৃতীয় দিন শুরু হয়েছে খেলা। আধ ঘণ্টা আগে শুরু হয় খেলা। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে মাঠে নামে বাংলাদেশ। দারুণ শুরু করেন তামিম-সাদমান। ড্রাইভ, কাট-পুলের পসরা সাজান তামিম। তাকে যথার্থ সঙ্গ দেন সাদমান।এই দুই ব্যাটারে শুভসূচনা পায় টাইগাররা। তবে হঠাৎই তাল হারান সাদমান। ব্যক্তিগত ২৭ রানে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের শিকার হন তিনি।

সাদমানের বিদায়ে ভাঙে ৭৫ রানের টাইগারদের ওপেনিং জুটি। এ নিয়ে তামিমের সঙ্গে টানা তিন ইনিংসে পঞ্চাশের উপরে রানের জুটি গড়লেন তিনি। পরে মুমিনুল হককে সাথে নিয়ে দলকে এগোনোর চেষ্টা করেন তামিম। শর্ট বলে শট খেলার লোভ সামলাতে পারেননি মুমিনুল।নিল ওয়েগনারের শর্ট বলে বাউন্ডারি হাঁকানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বিজে ওয়াটলিংকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে আসেন তিনি। টেস্ট স্পেশালিস্টের ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ১৫ রান। এতে ভাঙে ৪৪ রানের পার্টনারশিপ। এরপরই দিশেহারা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা।

এর রেশ কাটতে না কাটতেই অফস্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসেন মোহাম্মদ মিঠুন। ওয়েগনারের বলে টিম সাউদিকে ক্যাচ তুলে দেন ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। ফেরার আগে ১০ চারে ১০৯ বল খেলে ৭২ রান করেন তিনি। এ নিয়ে টানা তৃতীয় পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেললেন তামিম। রয়েছে একটি সেঞ্চুরি।

আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি সৌম্য সরকার। ম্যাট হেনরি বলে সেই ওয়াটলিংয়ের গ্লাভসে ধরা পড়েন তিনি।লড়তে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। তিনিও শর্ট বলের শিকার হন। শিকারী সেই ওয়েগনার। কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন লিটন দাস। তবে তাকে যোগ্য সমর্থন দিতে পারেননি কেউ। অবশ্য একটু চেষ্টা করেন তাইজুল ইসলাম। তবে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে সাজঘরে পথ দেখান ট্রেন্ট বোল্ট। তারপরেই মোস্তাফিজুর রহমানকে সোজা বোল্ড করে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান তিনি।

খানিক পরে লিটনও থেমে যায়। তাকে আউট করেন টিম সাউদি। টাইগার শিবিরে শেষ পেরেকটি দেন বোল্ট। আবু জায়েদকে বোল্ড করেন তিনি। ওয়েগানার তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের ৪ ব্যাটসম্যানকে। ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন বোল্ট।