২১ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জমি চাষে যন্ত্রের ব্যবহার ৯০ শতাংশ হলেও রোপণ-কর্তনে শূন্য

জমি চাষে যন্ত্রের ব্যবহার ৯০ শতাংশ হলেও রোপণ-কর্তনে শূন্য

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সারা বিশ্বেই ধানের চারা রোপনে উন্নত প্রযুক্তির ও যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে। দেশেও জমি চাষে এখন প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি যান্ত্রিকীকরনের ছোয়া লাগলেও পিছিয়ে রয়েছে ট্রান্সপ্ল্যন্টিং (রোপন) ও হারভেষ্টিং (কর্তন)। মাত্র শূণ্য দশমিক ১ শতাংশ জমিতে ট্রান্সপান্টিং করতে ব্যবহার করা হচ্ছে যন্ত্রের।

অন্যদিকে মাত্র শূণ্য দশমিক ৮ শতাংশ জমিতে হারভেষ্টিং করতে ব্যবহার করা হচ্ছে যন্ত্রের। যন্ত্রের ব্যবহার না থাকায় কৃষকের আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন কৃষক। কৃষিতে শ্রমিক সংকট মেটানো ও কৃষকের অর্থের অপচয় কমিয়ে আনতে যান্ত্রিকীকরনের কোন বিকল্প নেই। এর ব্যবহার বাড়াতে হবে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইউ) ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের গবেষনায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

জানা গেছে, দেশে প্রতি বছর যে পরিমান ধান বা গম আবাদ করা হচ্ছে সেখানে প্রথাগত প্রদ্ধতি না করে যান্ত্রিকীকরণ করলে হেক্টর প্রতি কয়েক হাজার টাকা সাশ্রয় হবে কৃষকের। এ বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের অধ্যাপক মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, গত কয়েক দশকের ব্যবধানে কৃষিতে বেড়েছে শ্রমিক সংকট তেমনি ধারাবাহিকভাবে কমছে কৃষি জমি। বর্তমানে ধান কাটা ও রোপন মৌসুমে শ্রমিকের অভাব তীব্র থাকে। সামনের দিনে এ সংকট আরো বাড়বে।

কেননা গত কয়েক দশকের ব্যবধানে কৃষিতে শ্রমশক্তি কমছে। জমি তৈরিতে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়লেও চারা রোপন, কর্তন, মাড়াইসহ বেশ কিছু খাতে যন্ত্রের ব্যবহার এখনও পিছিয়ে রয়েছে। যন্ত্রের ব্যবহার না থাকার কারনে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মূখে পড়ছেন কৃষকরা।

এ অবস্থায় শ্রম ও সময় সাশ্রয়ের জন্য কৃষকের কাছে জনপ্রিয় করতে হবে কৃষি যন্ত্রপাতি। সরকারের ভর্তূকি সহায়তা আরো বেশি সম্প্রসারণের পাশাপাশি যান্ত্রিক অর্থায়ন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। আর দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই যন্ত্রের ব্যবহার বাড়াতে হবে।