১৯ মার্চ ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিশ্ববহর থেকে ৭৩৭ ম্যাক্স সরিয়ে নিচ্ছে বোয়িং

বিশ্ববহর থেকে ৭৩৭ ম্যাক্স সরিয়ে নিচ্ছে বোয়িং

অনলাইন ডেস্ক ॥ ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের মারাত্মক দুর্ঘটনার নতুন তথ্য উন্মোচনের পর বোয়িং সমগ্র বিশ্ববহর থেকে ৭৩৭ ম্যাক্স এয়ারক্রাফট সরিয়ে নিচ্ছে।

মার্কিন এই বিমানপ্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ৩৭১ টি ম্যাক্স এয়ারক্র্যাফটই স্থগিত করা হচ্ছে। এটি চালনার জন্য নিরাপত্তা নিয়ে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে হবে।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনও (এফএএ) বোয়িংয়ের এই এয়ারক্র্যাফটি চলাচল স্থগিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছেন, উপগ্রহ থেকে পাওয়া নতুন পরিমার্জিত তথ্য উপাত্ত অনুযায়ী বোয়িংয়ের উড়োজাহাজটি সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দুর্ঘটনা কবলিত জাহাজের ককপিটের তথ্য পাওয়া পর পর্যন্ত ৭৩৭ ম্যাক্স চলাচল বন্ধ থাকবে।

গত ১০ মার্চ ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা থেকে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলের একটি উড়োহাজাজ উড্ডয়নের কয়েক মিনিটের মধ্যে বিধ্বস্ত হয়। এতে কেবিন ক্রুসহ ১৫৭ জন নিহত হন।

২০১৮ সালের অক্টোবরেও একই মডেলের লায়ন এয়ারের একটি এয়ারক্র্যাফট ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত হলে ১৮৯ জন নিহত হন। তখনই বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ দেখা দেয়। ইতেমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, মিশর, গ্রিস, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, কুয়েত, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নামিবিয়া, দক্সিণ কোরিয়া, সার্বিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য এই জাহাজটি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।

বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলের সবচেয়ে বেশি এয়াক্র্যাফট রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইনসের ৩৪টি। এয়ার কানাডার ২৪টি, আমেরিকান এয়ারলাইনসের ২৪, চাইনা এয়ারলাইনসের ২৪টি, নরোওয়েন এয়ারলাইনসের ১৮টি ও এয়ার চায়নার ১৫টি।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে (বুধবার ১৩ মার্চ) জানিয়েছে, বাংলাদেশের কোনো বিমান পরিবহন সংস্থা এই মডেলটি ব্যবহার করে না। এমনকি বিদেশি কোনো এয়ারলাইনসও বাংলাদেশে এই মডেলের জাহাজে ফ্লাইট পরিচালনা করে না।