২২ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লৌহজং উপজেলার নারী ভাইস চেয়ারম্যানের কলাপাড়ায় সংবাদ সম্মেলন

  লৌহজং উপজেলার নারী ভাইস চেয়ারম্যানের কলাপাড়ায় সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া ॥ মামলা দিয়ে হাজতবাসে রেখে জমিসহ স্থাপনা ঘর আসবাবপত্র লুটে নেয়া। প্রবেশপথ আটকে দখল করে নেয়া হয়েছে। থানায় আটকে রেখে সাত ঘন্টা পরে মামলা দেয়া হয়েছে। মহিলা পুলিশ দিয়ে লাঞ্ছিত করাসহ এন্তার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুন্সগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নাজনীন আক্তার স্বর্ণা। কুয়াকাটায় কেনা তার ১৩ শতক জমিসহ ঘর ও মালামাল লুটে নেয়ার অভিযোগ তুলে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে লিখিত সংবাদ সম্মেলন করেছেন। স্বর্ণা এ ঘটনায় জাতীয় পার্টির (এরশাদ) সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের কুয়াকাটার কেয়ারটেকার কমল হাওলাদার, সহযোগী আনোয়ার হোসেন ওরফে লম্বা আনোয়ার, দলিল লেখক ফারুক ও কর্মচারী টিক্কাকে দায়ী করেছেন। স্বর্ণা লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, ২০০২ সাল থেকে কুয়াকাটায় ব্যসায়ীক উদ্দেশ্যে জমি ক্রয় করতে থাকেন। প্রায় ৭০ বিঘা জমির মালিক। এর মধ্যে এসএ ১২০৩ নম্বর খতিয়ানে একটি স্থাপনাসহ ৩৩ শতক জমি ক্রয় করেন ২০০৮ সালে। যা থেকে ২০ শতক বিক্রি করেছেন। বাকি জমিতে তিনি বসবাস করে আসছেন। যার নাম স্বর্ণাঞ্চল। কিন্তু ওই বাড়ির প্রবেশ পথটি কমল হাওলাদারসহ তার সহযোগীরা বন্ধ করে দেয়। যা শোনার পরে স্থায়ীভাবে লোহার গেট লাগানোর জন্য রাজমিস্ত্রি নিয়ে কাজ করছিলেন। ৩ মার্চ কাজ চলাকালে প্রথমে মহীপুর থানার এসআই হাফিজুর রহমান কয়েকজন পুলিশ নিয়ে বাধা দেয়। অপমানজনক কথা বলেন। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করি। ব্যর্থ হয়ে মহিপুর থানার ওসি সাইদুল সাহেবকে ফোন করেন। ওসি সাহেব থানায় চা খাওয়ার দাওয়াতের কথা বলে। যেতে না চাইলে পুলিশ ভ্যানে জোর করে তোলার চেষ্টা করা হয়। বাধ্য হয়ে একটি ভাড়াটে হোন্ডায় স্বর্ণা মহিপুর থানায় যান। সেখানে তাকে আটকে রেখে কেআর ফ্যাশন ইন্টারন্যাশনালের কেয়ারটেকার কমল হাওলাদারকে দিয়ে একটি মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। স্বর্ণা জানান, ১১দিন হাজতবাসের পরে কুয়াকাটায় এসে এখনও তিনি নিরাপত্তাহীন রয়েছে। অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন জানান, কেআার ফ্যাশনের মধ্যে নাজনীন আক্তার এক শতক জমি পেলেও দেয়া হবে। উল্টো কেআর ফ্যাশনের জমির দেয়াল ভাঙ্গা হয়েছে বলে কেয়ার টেকার কমল হাওলাদার পাল্টাঅভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে মহিপুর থানার ওসি মো. সাইদুল ইসলাম জানান, নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে। আর তিনি মহিলা পুলিশকে গালাগালসহ লাঞ্ছিত করে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।