২৬ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভারতে তৈরি পোশাক রফতানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হবে

  • ভারতের রাষ্ট্রদূত-বাণিজ্যমন্ত্রী বৈঠক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেছেন, ভারত চায় বাংলাদেশের তৈরি পণ্য ভারতে রফতানি হোক। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বাণিজ্য ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা আছে। বাণিজ্য সহজ করতে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ভারত একটি বড় বাজার। ভারতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বিপুল চাহিদা রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মিসেস রিভা গাংগুলী দাস এর সঙ্গে আলোচনার সময় এসব কথা বলেন। পরে এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ভারতের রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ভারতের বাজারে বিক্রয় করলে বাংলাদেশ লাভবান হবে। বাংলাদেশ সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এছাড়াও বর্ডার হাট ভারত এবং বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে ৪টি বর্ডার হাট চালু আছে, আরও ৬টি বর্ডার হাট স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। উভয় দেশের মানুষের পণ্য ক্রয়ের লিমিট বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং এ বর্ডার হাটের পরিধিও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ভারতের অনেক বিনিয়োগ আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। এর মধ্যে মিরেরশরাই এবং মংলায় দুটি বড় আকারের ইকোনমিক জোনে ভারত বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামীতে উভয় দেশের বাণিজ্যে দৃশ্যমান অনেক পরিবর্তন আসবে।

ভারতের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মিসেস রিভা গাংগুলী দাস বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। ভারত চায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। এজন্য ভারত বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। বাংলাদেশের পণ্য ভারতের বাজারে বিক্রয় হচ্ছে। অনেক পণ্যের বেশ চাহিদা রয়েছে ভারতে। উভয় দেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রে যে সকল সমস্যা বা জটিলতা রয়েছে, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এগুলো সমাধান করা হবে। বর্ডারহাটের প্রতি উভয় দেশের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। বর্ডারহাটের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে কাজ চলছে। বর্ডার হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। ব্যবসা সহজ করতে যা প্রয়োজন তাই করা হবে।

উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে ৮৭৩.২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে, একই সময়ে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ৮৬১৯.৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। বাংলাদেশ রফতানি পণ্যের অনেক কাঁচামাল ভারত থেকে আমদানি করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রফতানি করে। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সচিবের দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব এস এম রেজোয়ান হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।